বিএনপি সরকারের কাছে কী দেখতে চান রেমিট্যান্সযোদ্ধারা
ব এনপ সরক র র ক ছ – বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিতে প্রবাসী শ্রমিকদের সম্প্রদান অপরিহার্য। তাঁদের আয় ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সম্ভব হয় না। যাইহোক, তাঁরা কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির বাহন নন; রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম হন। তাঁদের প্রভাব প্রকাশ পেয়েছিল বিশেষ ভাবে জুলাই মাসের বিপ্লবে, যখন তাঁরা সরাসরি ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’ করে দেশের রাজনীতিতে সংঘটিত হয়েছিল।
অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থানের কথা ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে
২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি তাদের ঘোষণাপত্রে সুযোগ সৃষ্টির জন্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সর্বোচ্চ প্রাথমিক অবস্থানে রয়েছে। এজন্য তাঁরা দক্ষতা উন্নয়নকে প্রধান কৌশল হিসেবে বিবেচনা করেছেন, যে কর্মীদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান প্রদান করবে। সাথে সাথে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে।
অভিবাসন খাতকে এই বৃহত্তর অর্থনৈতিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। সাথে সাথে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলে নতুন শ্রমবাজার খোঁজার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
আধুনিক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার মাধ্যমে শ্রমিকেরা উচ্চ আয়ের পেশায় প্রবেশ করতে সক্ষম হবেন। রেমিট্যান্স ব্যবস্থার জন্য ডিজিটাল নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহি প্রক্রিয়া চালু করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এ ছাড়া এক কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা কর্মসংস্থানের চাপ কমাতে সহায়তা করবে।
শ্রমিকদের সমস্যার স্পষ্ট চিত্র
বাংলাদেশের অভিবাসন খাতের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো অতিরিক্ত খরচ। একজন শ্রমিক বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রায়ই ৩-৮ লাখ টাকার বোঝা পড়ে, যা দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। ফলে তাঁদের প্রথম কয়েক মাস ঋণ শোধের জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়।
দক্ষতার অভাব অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিক স্বল্প দক্ষ হওয়ায় কম বেতনের কাজে নিয়োজিত হন। আধুনিক শ্রমবাজার প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত জ্ঞানের উপর নির্ভর করে। ফলে দক্ষতা উন্নয়ন ছাড়
