নেপালের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত বিরোধ আবার উত্তপ্ত, বালেন্দ্রর বক্তব্যকে কীভাবে নিচ্ছেন নেপালিরা
ন প ল র সঙ গ ভ – নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিয়ে আবারও চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। গত রোববার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণে তিনি দাবি করেন, ভারত নেপালের ভূখণ্ড দখল করেছে এবং সেই ক্ষেত্রে নেপালও অনেক জায়গায় ভারতের ভূখণ্ড দখল করেছে। এটি নেপালের সাধারণ বিষয়ের বাইরে একটি নতুন মোড় ঘটায়।
প্রধানমন্ত্রী শাহ বলেন, “আপনারা একটি তথ্য জেনে অবাক হবেন, যা আমি কেবল প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই সম্প্রতি জানতে পেরেছি। শুধু ভারতই নেপালের ভূখণ্ড দখল করেনি, নেপালও অনেক জায়গায় ভারতের ভূখণ্ড দখল করেছে।” তিনি এর পর আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং বন্ধু হিসেবে একসঙ্গে সমাধান করা দুই দেশের উচিত।
বালেন্দ্র শাহ এবং তাঁর রাজনৈতিক সংগঠন
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শাহ রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে (আরএসপি) যোগ দেন। তাঁর আগে কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং ২০২২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয় লাভ করেন। তিনি ফুটপাতের বিক্রেতাদের উচ্ছেদে কঠোর অভিযান চালিয়ে বিতর্কিত চিত্রে পরিণত হন। এ কারণে সুশীল সমাজের নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
২০২২ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে জয় লাভ করেন। কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং সেই সময় ভারতের সীমান্ত বিরোধ নিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেন। সেই বিষয়ে আরও বলেন, নেপালি আইনপ্রণেতারা চীন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন সীমান্ত বিরোধের সম্পর্কে।
নিশ্চল পান্ডে বলেন, “শাহ এই বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মধ্যস্থতা চাইছেন না; বরং ১৮২৭ ও ১৮৩৪ সালের দিকের বিভিন্ন আসল জরিপ মানচিত্রের সহায়তা চাইছেন, যা ভারতের সঙ্গে আলোচনার সময় আমাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।”
নেপালের কাঠমান্ডুভিত্তিক সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের পরিচালক বলেন, অ্যাংলো-নেপাল যুদ্ধের পর ১৮১৬ সালে স্বাক্ষরিত সুগৌলি চুক্তিতে বলা হয়েছে নেপাল ‘কালী নদীর পশ্চিমের’ ভ
