ঈদের পর থেইকাই কাম নাই, পকেট একেবারে খালি
ঈদের পর কাজ বন্ধ হয়ে আসে বাসিন্দাদের পকেটে খালি চাপা দেয়
ঈদ র পর থ ইক ই ক – রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১ নম্বরে মূল সড়কে জমে ওঠা শ্রমবাজার এক সম্পূর্ণ অন্য পরিদৃশ্য তৈরি করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতো অনেকেই এই হাটগুলোতে নিয়মিত প্রতিদিন অপেক্ষা করেন প্রায় ৪০০-৫০০ মানুষ। তাঁদের অপেক্ষা শুধু একটাই—কেউ তাঁদের কাজে নিতে চায়। পারুল আক্তার বলেন, ‘ঈদ র পর থেইকাই আমার দিনমজুর কাজ শেষ হয়ে গেছে। দুই দিন ধরে কোনো কাম পাই নাই। পকেটে টাকা আর থাকে না, খাওয়া দাওয়া এখনও নিয়ন্ত্রণে আছে।’ এ অবস্থা কয়েক দিনের মধ্যে স্থায়ী হয়ে উঠছে কারণ কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরে বিস্তারিত গোটা এলাকায় প্রতিদিন সকাল চারটার পর থেকে এই হাট খোলা হয়।
ঈদ র পর থেইকাই কাম নাই হাট দেখতে গেলে স্থানীয় লোকেরা তাদের সম্পূর্ণ অপেক্ষা করেন কেবলমাত্র টাইলস মিস্ত্রি সহ নানা কাজের দিনমজুরদের অবতরণ। সেই হাটে কাজ পেলে কিছু মানুষ দিনে ৪০০ টাকা পর্যন্ত আয় করেন। কিন্তু কাজের চাহিদা তখন কমে যাওয়ায় এ অবস্থার প্রতিকূল প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বেবিট্যাক্সি চালাতেন মো. সুলতান এবং কাজ পেলে তাঁর স্ত্রী গ্রামে খাবার ও ওষুধের টাকা পাঠান হত। কিন্তু তিনি বেশি বয়সে অপেক্ষা করেন আর কাজে নিতে চায় না বলে নারীদের অনেকে বলেন। এ সমস্যা বিশেষ করে মহিলাদের প্রতি বেশি প্রতিকূল।
‘ঈদ র পর থেইকাই কাম নাই। দুই দিন ধরে কোনো কাম পাই নাই। পকেট খালি হয়ে আসছে। আমি যদি কাজ পাই তবে কেমনে চলবো কে জানে?’
বিশেষ করে মহিলাদের কাছে টাকা দাওয়া খুব কম
পারুল আক্তারের মতো নারীদের কাছে টাকা দাওয়া কম হয়ে আসছে। তিনি টাইলস মিস্ত্রির কাজ করেন এবং দুই দিন ধরে কাজ পাই না বলে খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। কাজ পেলে তাঁর দিনে ৪০০ টাকা পর্যন্ত আয় হয়। তাঁর সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এ পরিস্থিতির কারণে স্ত্রীদের প্রতি টাকা দাওয়া কমে গেছে। ঈদ র পর থেইকাই কাম নাই হাট থেকে প্রতিদিন এক গুঁড়ি দুই দিন ধরে কাজ চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু কেউ কাজে নিতে চায় না বলে আরো কয়েকজন মহিলা বলেন, আমরা দিন গুনতে বসেছি।
ঈদ র পর থেইকাই কাম নাই হাটে নারীদের আগ্রহ অনেক কম হয়ে আসছে। সেই হাটে কাজ চাওয়া হচ্ছে বিশেষ করে টাইলস মিস্ত্রি ও রাজমিস্ত্রির কাজের সাথে। কেন তাঁদের কাম নাই হাট থেকে কেউ কাজ পাই না বলে তাঁদের খাবারে
