নারীকে কেন বারবার বলতে হয়, ‘আমিও পারি!’
ন র ক ক ন ব রব – এই সমাজে মহিলাকে দুইবার জন্ম নিতে হয়—একবার মানুষ হিসেবে, আরেকবার নিজেকে মানুষ প্রমাণ করার জন্য। মহিলার জন্মসূত্রে সহজে হওয়া সত্ত্বেও, সমাজের চোখে তাঁকে ‘যোগ্য মানুষ’ হিসেবে গণ্য করা এখনো কঠিন। সমাজ মহিলার সাফল্যকে তাঁর সৌন্দর্যের সাথে মিশিয়ে দেখে, তাঁর পরিশ্রমকে আড়াল করে নানা সন্দেহ প্রকাশ করে।
মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কাঠামো
এই সমাজ মহিলার উপর একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট তৈরি করে দেয়—কিভাবে কথা বলতে হবে, চলতে হবে, কতটুকু উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া ‘গ্রহণযোগ্য’। আধুনিকতার আড়ালে এই কাঠামো সূক্ষ্ম হয়েছে।
ফরাসি দার্শনিক সিমোন দ্য বোভোয়ার বলেছিলেন, ‘ওয়ান ইজ নট বর্ন, বাট রাদার বিকামস এ ওমেন’; অর্থাৎ মহিলার সক্ষমতাকে তাঁর চেহারা বা হাসির ধরন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
সমাজ ও রাষ্ট্রের বিচার
মহিলা কর্মক্ষেত্রে সফল হলে তাঁকে বলা হয় ‘যোগ্য’, ‘পরিশ্রমী’, ‘ভিশনারি’। কিন্তু একজন মহিলা সেই সমাজে ওপরে উঠতে শুরু করলে তাঁর চেহারা নিয়ে আলোচনা বেশি দেখা যায়। তাঁর সাফল্য তাঁর পরিশ্রমের ফল নয়, বরং সৌন্দর্যের সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশে মহিলাদের অগ্রগতি বনাম জেন্ডার ‘প্রতি–আঘাত’ নিয়ে আলোচনা হয়। হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউয়ের গবেষণা দেখায় মহিলাদের বিশ্লেষণের চেয়ে ব্যক্তিত্ব বা ‘লাইকেবিলিটি’ বেশি পরীক্ষা করা হয়। মালালা ইউসুফজাই শিক্ষার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে গুলি সহ্য করতে হয়েছে। মিশেল ওবামার আত্মজীবনীতে লেখা হয়েছে হোয়াইট হাউসেও তাঁকে তাঁর রং এবং উচ্চারণ নিয়ে বিদ্রূপ শুনতে হয়েছে। হলিউডে এমা ওয়
