নদী যেন লাশ গুমের নিরাপদ ঠিকানা, ৫ বছরে ২০৬৪ উদ্ধার
নদ য ন ল শ গ ম – গত বছরের ২৩ আগস্ট বুড়িগঙ্গা নদী থেকে নৌ পুলিশ এক নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। পচন ধরে আঙুলের ছাপ মুছে যাওয়ায় মরদেহ দুটি শনাক্ত করা যায়নি। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী সেই নারী ও শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে মাথাবিহীন এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পচন ধরে যাওয়ায় শনাক্ত করা যায়নি। খোঁজাখুঁজির পর স্বজনেরা মর্গে গিয়ে ট্যাটু ও গেঞ্জি দেখে লাশটি চিহ্নিত করেন। তিনি হলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের জাকির হোসেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়েছে যে তাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়েছিল।
গত পাঁচ বছরে লাশ উদ্ধারের মোট সংখ্যা
নৌ পুলিশ দেশের বিভিন্ন নদ-নদী থেকে গত পাঁচ বছরে (২০২১-২০২৫) ২ হাজার ৬৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে পুরুষদের সংখ্যা বেশি। সেগুলো মধ্যে ধরে আঙুলের ছাপ মুছে যাওয়ায় শনাক্ত করা যায়নি। নৌ পুলিশ কর্মকর্তা ও অপরাধতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে অপরাধীরা নদীতে লাশ ফেলে গুমের জন্য তাদের প্রমাণ মুছে ফেলেন। পানির স্রোতে মরদেহ ভেসে ওঠার আগে তাতে আঙুলের ছাপ হারিয়ে যাওয়ায় লাশ চেনা কষ্টকর হয়ে ওঠে।
নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত তিন বছরে ঢাকা অঞ্চলের নদী থেকে সবচেয়ে বেশি লাশ উদ্ধার হয়েছে—৩২০টি। নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে মরদেহ পাওয়া হয়েছে ১৯৩টি এবং সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে কম লাশ হলো ১৪টি। অন্যান্য অঞ্চলে মরদেহ উদ্ধার হয়েছে নিম্ন সংখ্যক—বরিশাল অঞ্চলে ১৪৮টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৪৫টি, রাজশাহী অঞ্চলে ১২২টি, চাঁদপুর অঞ্চলে ১০৫টি, খুলনা অঞ্চলে ১০৪টি, ফরিদপুর অঞ্চলে ৯৯টি, কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে ৭২টি ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে ৬৪টি।
বছিলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউল হক জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের গলা কাটা হয়েছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
সর্বশেষ ঘটনা হলো ১৬ মে সকালে মোহাম্মদপুর-সংলগ্ন বছিলা সেতুর নিচের ব
