ম্যাকসন স্পিনিং মিলস জমি ফেরত দিচ্ছে, বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে
নত ন ব ন য় গ স – বস্ত্র খাতে কার্যরত ম্যাকসন স্পিনিং মিলস কোম্পানি নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে। তারা মিরসরাইয়ের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) থেকে পূর্বে বরাদ্দ পেয়া এক একর জমি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কাছে ফেরত দেবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও দেশের বস্ত্র খাতের মন্থর গতির কারণে কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। এ অবস্থায় চূড়ান্ত ব্যবসায়িক ঝুঁকি ও বাজারের অবস্থা কারণে সেই জমি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না।
নতুন কারখানা বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়েছে
২০২০ সালের ১১ নভেম্বর ও ৬ ডিসেম্বর পৃথক চিঠির মাধ্যমে কোম্পানিটি মিরসরাই এবং ফেনী এনএসইজেড এলাকায় শিল্প প্লট বরাদ্দ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। তবে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করেনি তারা। শুধু ভূমি উন্নয়নের কাজ হয়েছে সেখানে।
“এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নতুন করে বিনিয়োগ করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। শুরুর দিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন কারখানায় বিনিয়োগে রাজি হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁরা এখন আর আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কারণ, সেখানে ভূমি উন্নয়ন হলেও গ্যাস-বিদ্যুতের সুবিধা এখনো যায়নি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুকূল মনে হলে আমরা আবার বেজার কাছে জমি বরাদ্দ চাইব।”
ম্যাকসন গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বস্ত্রকলমালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেছেন যে, নতুন বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে কারণ বড় কোনো বিনিয়োগের আর্থিক ঝুঁকি এড়াতে। এ কারণে কোম্পানির বড় মূলধনি ব্যয়ের চাপ কমলেও দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
এই মুহূর্তে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে বড় ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। লভ্যাংশ দিতে না পারায় এবং আর্থিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তারা ‘জেড’ শ্রেণিতে অবস্থান করছে। সর্বশেষ গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই ২০২৪-মার্চ ২০২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৬১ পয়সা। গত কয়েক বছরের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২২ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। এরপর থেকে লোকসানের ধারা শুরু হয়।
ডিএসই তথ্য অনুযায়ী, ম্যাকসন স্পিনিংয়ের বর্তমানে �
