চট্টগ্রামে ভাইয়ের মধ্যে কিরিচের বাঁধা ঘটনা
ধ ন শ ক ন ন য় – ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে সামাজিক তৃতীয় পক্ষের মারামারি ঘটেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বৈলগাঁও মাধবীপাড়া এলাকায়। গত মঙ্গলবার অপরাহ্নে এক গৃহিণী ধান শুকানোর জন্য এলাকায় অবতরণ করেন যখন তিনি তাঁর স্থানীয় প্রতিবেশীদের ধান শুকানো প্রক্রিয়া বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ বিষয়ে তর্কাতর্কিতে দুই ভাইয়ের মধ্যে গুলিবাণী ঘটে, যেখানে কিরিচের চাচার কোপে ভাতিজার জীবন হারায়। ঘটনার পর সামাজিক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বাঁশখালী থানার তদন্ত কাজ শুরু হয়।
আত্মঘাতী কোপে প্রাণ হারানো ঘটনা
নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ হাসান (৩২) যিনি বশির আহমদ (৫৫) এর ছেলে। কে এম সালাহউদ্দিন কামাল বলেন, ঘটনার পর সকালে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তখন কোনো ঘরে কেউ ছিল না। বশির আহমদ বলেন, “ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে দুই পক্ষের মারামারি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি কয়েক বছর ধরে সামাজিক বিরোধের মাধ্যমে বিলম্বিত ছিল।”
তর্ক থেকে তীব্র বিস্তারিত তথ্য
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল হক বলেন, “পারিবারিক বিরোধ ধান শুকানো এলাকার পরিস্থিতি বিষয়ে উত্থান পেয়েছে। কিছু দিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে কয়েক সালিসি বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সমাধান হয়নি। এ ঘটনার প্রতিবেশীদের সম্পর্কে গুরুতর প্রভাব পড়েছে।”
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম নাছির উদ্দিন (৫৯) যিনি হাসানের ছেলে হিসেবে বিবাদে প্রতিবেশী প্রক্রিয়া নিয়ে আরও গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ সময়ে বাড়িতে ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে সম্পর্ক ভাঙা হয়েছে। আরও বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় কোনো হাসিল নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু ঘটনার পর স্থানীয় লোকেরা বিষয়টি গুরুতর বিবেচনা করছেন।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় যে দুই পক্ষের মধ্যে ধান শুকানো এলাকার নিয়ন্ত্রণে গুরুতর বিরোধ চলছিল। বাড়িতে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর ঘটনার প্রতিবেশী সম্পর্কে সবাই নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের মারামারি থেকে দুই ভাইয়ের মধ্যে একটি ঘটনা ঘটে যেখানে কেউ কেউ এলাকার নামে ধান শুকানো জন্য ব্যবস্থা করেন।
বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে কয়েক বছর ধরে এ প্রতিবেশী বিরোধ চলছিল। অভিযুক্ত ব্যক্তির ছেলে নাছির উদ্দিন বলেন, “ধান শুকানো এলাকার জন্য আমাদের সম্পর্কে সবাই নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাদের ছেলে মৃত্যুবরণ করে এটি বিষয়টি সম্পূর্ণ বিবেচনা করছেন।”
তদন্ত কাজের সময় স্থানীয় লোকেরা বলেন যে ধান শুকানো প্রক্রিয়া নিয়ে সামাজিক ক্ষোভ বিস্তার করছে। সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম সালাহউদ্দিন �
