ফ্রান্সের কোচ হিসেবে দেশমের সমালোচনা
দ শম র ত র র ন – ফ্রান্সের কোচ হিসেবে ১৪ বছর ধরে দেশমকে বারবার কটাক্ট করতে হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল তাঁর দেশম সংঘর্ষত্মক প্রতিভার কমতি এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে সামান্য নির্ভরশীলতা। অভিযোগ ছিল দলে থাকা আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের স্বাধীনতা দেওয়া হয় নি।
তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তাঁর শেষ টুর্নামেন্টে কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছিল। বার্বার বিশ্বকাপে ফ্রান্স কয়েক সপ্তাহ ধরে সামান্য ভাবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। কিন্তু প্রথম শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে পরে তারা ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল।
এই ম্যাচে ফ্রান্সকে আরও কিছুটা দেশম ধাঁচের ফুটবলের প্রয়োজন ছিল। যে দল বিশ্বকাপে দেখা গেছে তা গত দশকের মতো ছন্দ এবং সৃজনশীলতায় ভরপুর ছিল। এমন ফুটবল অনেকের মনে ১৯৮০ এর দশকের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ের শক্তিশালী ফরাসি দলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।
স্পেন দ্বারা বিশ্বকাপের ফাইনালে হারানো
তবে সেসব তুলনা অসাড় করে দিয়েছে স্পেন। ডালাসে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে পাত্তাই দেয়নি দে লা ফুয়েন্তের দল। তাঁর কোচের শেষ চারটি বড় টুর্নামেন্টে চারটি শেষ চারে ওঠার কথা বলা হয়েছে।
গতকাল রাতে ২–০ গোলে ফাইনালে যেতে না পারলেও দেশমের অর্জন কম নয়। একটি বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনাল এবং একটি সেমিফাইনাল পরিচালনার কথা আছে। ইউরোতেও ফ্রান্সকে একবার ফাইনাল এবং একবার সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়েছে।
“আমি একটা প্রশ্ন করব, তবে তার উত্তর দেব না। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার জন্য এই রেফারি কি প্রয়োজনীয় মানের ছিলেন? শুধু আজ আমরা হেরেছি বলেই এটা বলছি না। ম্যাচে এমন অনেক পরিস্থিতি ছিল। অবশ্য কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষেও গেছে।”
বিবেচনায় এত প্রতিভাবান দল নিয়ে মাত্র একটি শিরোপা জেতাকে অনেকে ন্যূনতম প্রত্যাশা পূরণ বলেই মনে করতে পারেন। তবে তর্ক–বিতর্ক বাদ দিলে দেশমের নামের পাশে অসংখ্য মাইলফলকও আছে।
আপাতত অবশ্য সেসব ভুলে সেমিফাইনালে হারটা হজম করার চেষ্টা করতে হচ্ছে দেশমকে। একেবারে অপ্রত্যাশিত লড়াইহীন এক আত্মসমর্পণ! এমন ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের ভেঙে পড়ার কথা বলেছেন দেশম। একই সঙ্গে আঙুল তুলেছেন এল সালভাদরের রেফারি ইভান বার্টনের প্রতিও।
প্রথমার্ধে লুকাস দিনিয়ে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করলে স্পেনকে পেনাল্টি দেন এল সালভাদরের এই রেফারি।
বিবর্ণ ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন। ডালাস স্টেডিয়ামে হারের পর হতাশার কথা বলেন দেশম, “অবশ্যই হতাশা অনেক। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভেঙে পড়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল অনেক বড়। তবে বাস্তবতাও মেনে নিতে হবে। আজ কৌশলগত দিক থেকে আমরা প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ছিলাম। স্পেন ম্যাচটি খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে।”
তবে এই হারে দেশম ক
