দুদকে নিয়োগে সার্চ কমিটির কাছে তথ্য পাওয়া গেছে
দ দক ন য় গ স র – দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সংস্থাগত পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় আগ্রহী ব্যক্তিদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া হয়েছে। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে দুদক পুনর্গঠনের জন্য চালু কমিটিতে মোট ৪০ জন ব্যক্তি আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সংখ্যা বেশি।
পদত্যাগের পর সংস্থার অবস্থা
মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে দুদক চেয়ারম্যান পদ থেকে বিদায় গ্রহণ করার পর সংস্থার শীর্ষ তিনটি পদ শূন্য হয়ে গেছে। এ কারণে নতুন অভিযোগ অনুসন্ধান ও মামলা অনুমোদন সহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো আটকে রয়েছে।
সার্চ কমিটির গঠন
২২ জুন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক সভাপতি হিসেবে পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেন। অন্যদের নাম হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক এস এম রেজভী, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেম ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে আগ্রহী ব্যক্তিদের দুদক আইনের ৮(১) ধারায় উল্লিখিত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সাবেক মহাপরিচালক মঈদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আইন অনুযায়ী দুদকের প্রতিটি শূন্য পদের জন্য দুজন করে প্রার্থীর নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা হবে।
জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান ও আবেদনপত্রের বিষয়াবলী
আগ্রহী ব্যক্তিদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার সময়সীমা ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলেছে। সার্চ কমিটি সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করার পর পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দুদক আইন অনুযায়ী জীবনবৃত্তান্তে প্রার্থীর নাম, মাতৃপিতৃ নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ, জাতীয়তা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে হবে। আরো আপেক্ষিক তথ্য হলো মুঠোফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানা, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং শিক্ষাগত ও পেশাগত অভিজ্ঞতার সনদের অনুলিপি।
প্রার্থীদের আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে কমপক্ষে ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে সরকারি চাকরিরত কোনো ব্যক্তি নিয়োগ পান না। নাগরিক নন বা ঋণখেলাপি, দেউলিয়া, নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তি দুদকে নিয়োগে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
