দ ই র গ র ম র একটি ঘটনা নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ, সামাজিক আলোচনার শিগ্র দিন
দ ই র গ র ম র পাবনায় অবস্থিত মানসিক হাসপাতালে দুই রোগীর মধ্যে ঘটে গেল ক্ষতিকারক মারামারি। এ ঘটনার পরিণতি হিসেবে ইনজামুল হকের মৃত্যু ঘটেছে, যে ঘটনা তাঁর পরিবারের কাছে বিশেষ করে হাসপাতালের গাফিলতি হিসেবে গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি ২ জুন সন্ধ্যায় ঘটে। ওই দিন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ইনজামুল হক এবং নাজমুল ইসলামের মধ্যে আঘাত ঘটে। তবে আঘাত করার পর এ ঘটনার পরিণতি হিসেবে ইনজামুল হক মৃত্যু বরণ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর মৃত্যুর কারণে আঘাত করা হয়েছে বলে জানায়।
আঘাত ঘটানোর ঘটনার চিত্র স্পষ্ট করলেন পরিবারের সদস্য
ইনজামুল হকের বড় ভাই মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘৩ জুন সকাল ১০টার দিকে আমি আমার ভাই মারা গেছে বলে খবর পাই। দুপুরে হাসপাতালে পৌঁছে দেখি তাঁর লাশ যেখানে মারা গেছে সেখানেই ফেলে রাখা হয়েছে। তখন আমার এক স্বজন ভিডিও করে। ভাই খালি গায়ে বাথরুমের দেয়ালের কাছে মেঝেতে পড়ে আছে। মাথার নিচে রক্ত ছিল। নাকে-মুখেও রক্ত। অভিযোগ হাসপাতালের গাফিলতি হিসেবে বিশ্বাস করা হচ্ছে।’
ইজাজুল হক বলেন, ‘দুই রোগীর মারামারির সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সচেতন থাকলে এ ঘটনা ঘটতো না। তিনি আঘাত করে মেরেছেন বলে জানানো হয়েছে, কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আমরা পাই নি। তাঁর মৃত্যুর কারণে এ ঘটনাকে মানসিক হাসপাতালের গাফিলতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।’
হাসপাতালে ঘটে গেল পূর্বের মোকাবিলা হাসিল করতে ব্যর্থতা
গত বছরের অক্টোবর মাসে হাসপাতালটি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন আসে। তখন প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সংবাদ প্রতিবেদকের কাছে হাসপাতালের সার্বিক চিত্র দেখার সুযোগ হয়। তবে ক্ষতিকারক ঘটনার পর এ হাসপাতালে গাফিলতি হিসেবে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। নাজমুল ইসলাম ঘটনার পর পুনরায় হাসপাতালে আনা হয়। তিনি ক্ষতিকারক ঘটনার সাক্ষী হিসেবে সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানানো হয়।
আঘাত করার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু নাজমুলের পরিবার তখন আবার এ হাসপাতালে তাঁকে আনেন। পরিবারের মতে হাসপাতালে রোগীদের পুনরায় পরিচালনার পরিচিতি ছিল না। প্রতিবেদক বলেন, তিনি এ ঘটনার পর দুই রোগীর মধ্যে আঘাত করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এ ঘটনার পর হাসপাতালে গাফিলতি হিসেবে অভিযোগ প্রাপ্ত হয়। দ ই র গ র �
