ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাবার প্রতারণার কাহিনী
ঢ ব শ ক ষ র থ – ঢাবি শিক্ষার্থী রুহুল কুদ্দুসের বাবা মোস্তফা আরিফুজ্জামান নামে একজন শিক্ষকের প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। দুপুরে মুঠোফোনে আসা একটি কলে প্রতারক চক্র তাঁকে নিজেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্য হিসেবে পরিচয় দেয়। বাবা হুমকি দেখিয়ে আরিফুজ্জামানের ছোট ছেলেকে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। সে ছেলে তাঁকে বলেন, আপনি নাকি মাদকসহ ধরা পড়েছেন এবং তাঁর হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ হুমকি শুনে তিনি ভয় পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন যেখানে প্রতারণার বিষয়ে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
“আমার ছেলে তো কখনো সিগারেটও খায়নি, এসবের সঙ্গেও জড়িত না,” রুহুল কুদ্দুস বলেন। তিনি প্রথম আলো কে জানান, প্রতারক চক্র তাঁকে এক লাখ টাকা দিতে আবার হুমকি দেয়। অতঃপর তিনি অপরিচিত নম্বরে অপর লাখ টাকা পাঠান। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে এ বিষয়ে খবর পৌঁছার পর পুলিশ নির্দেশক অনুসন্ধান শুরু করেন।
প্রতারণার প্রক্রিয়া এবং সামাজিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় পুলিশ বলেন, জিডিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদে গেছে। কারণ অন্য শিক্ষকদের কাছে তথ্য জানানোর পর কোনও ব্যক্তি পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। ঢাবি শিক্ষার্থীর বাবাকে ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রক্রিয়াটি সর্বকালের সবচেয়ে সাধারণ মুঠোফোন ভিত্তিক প্রতারণা প্রকারের একটি। তাঁকে বিশ্বাস করতে হয়েছিল যে ছেলে মাদক মামলায় আটক করা হয়েছে। এমন অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে এবং কথা বলা হয়। তবে প্রতারকের কথার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তাঁর ছেলে আটক করা হয়েছিল।
রুহুল কুদ্দুস জানান, প্রতারক চক্র সিম ব্যবহার করে আটক করা হয়েছে। তাঁর ছেলের কথা নকল করে অপর প্রান্ত থেকে এ ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এ সিম ব্যবহার করে সিম চালু করে প্রতারণা চলছে। কিন্তু এনআইডি রেজিস্ট্রেশন বিষয়ে কিছু ঘাটতি আছে। কোন ব্যক্তি মারা গেছেন
