টিকা দেওয়া পর হাম কমছে না
ট ক দ ওয় র পর এখন – টিকা দেওয়ার পর এখনো হাম থামেনি। পাবনার জেনারেল হাসপাতালে গতকাল সোমবার হাম রোগী হাজার সংখ্যা বাড়ছে এবং সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কিছু জেলায় সংক্রমণ কমে আসছে। কিন্তু কয়েকটি বিশ্বাস করা হচ্ছে যে এই পদক্ষিণ সম্পূর্ণ কার্যকরী হচ্ছে না। কারণ টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে বলে প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী প্রভাব দেখা যাচ্ছে না।
প্রাথমিক টিকা ক্যাম্পেন শুরু হয়েছিল কিন্তু কার্যকর হচ্ছে না
সরকার জানায় যে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে যে এটি ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য উদ্দেশ্য পূরণ করতে চায়। তবে গতকাল হাসপাতালে শিশুদের হাম সংক্রমণ কমেছে বলে জানানো হয়। যদিও টিকা দেওয়া প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু জেলায় হাম প্রাদুর্ভাব কমে না। অনেকে মনে করছেন টিকা দেওয়া পর এখনো সংক্রমণ কমানোর জন্য আরও কাজ করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ তৈরি হচ্ছে কি না, তা দেখা হচ্ছে না। এখনো কেন মানুষ হামে আক্রান্ত হচ্ছে, এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, হামের সংক্রমণ কমে এসেছে। আগামী ২০–২৫ দিনে আরও কমে আসবে।’
পাবনার জাজিরা উপজেলায় টিকা দেওয়া শুরু হয়েছিল আট সপ্তাহ আগে। সেখানে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কিছুটা প্রভাব দেখা গেছে কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটাচ্ছে না। বরগুনা সদর হাসপাতালে সারা দেশে টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার পর সাত দিনে ৪০ শিশু হাম নিয়ে ভর্তি হয়েছে। তবে মৃত্যু হয়েছে দুই জনের মধ্যে।
হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন
এখনো হাম থামেনি কারণ টিকা দেওয়া কর্মসূচি সম্পূর্ণ সফল হয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার বাকি উপজেলা ও পৌরসভাগুলোতে টিকা প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছে। কিন্তু সেখানে সংক্রমণ কমে আসছে কিন্তু সারা দেশে এটি স্থায়ী নয়। জনস্বাস্থ্যবিদ বলেন যে এই কাজে আরও উন্নত পদক্ষিণ দরকার ছিল।
টিকা দেওয়া পর হাম এখনো বেড়ে চলেছে কারণ প্রতিটি ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সৃষ্টি হয়নি। কিছু জেলায় হামের সংক্রমণ কমেছে কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ কার্যকর হচ্ছে না। সরকার জানায় যে টিকা দেওয়া কর্মসূচি চলছে কিন্তু কার্যকরী হ
