Uncategorized

জিলহজের প্রথম দশকে বিশেষ ৫ আমল

জিলহজ্জের প্রথম দশকে বিশেষ ইবাদত ও আমল জ লহজ র প রথম দশক ব - জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশক ইসলামী আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই মাস আরবি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস

Desk Uncategorized
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জিলহজ্জের প্রথম দশকে বিশেষ ইবাদত ও আমল

জ লহজ র প রথম দশক ব – জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশক ইসলামী আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই মাস আরবি বর্ষপঞ্জির শেষ মাস হিসেবে পরিচিত, যেখানে মুসলমান উম্মাহ নিজেদের সামনে আমালের একটি মহান মৌসুম পায়। ইসলামের পাঁচটি প্রধান ধর্মীয় কাজের একটি হলো ‘হজ’, যা জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে পালন করা হয়। এছাড়াও মুসলমানরা এই মাসের প্রথম অর্ধেক সময়ে কোরবানি করেন যাকে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেয়া হয়।

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের ফজিলত

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন আল্লাহ কসম করেছেন একটি বিশেষ মৌসুম হিসেবে প্রমাণ করতে। সুরা ফজর আয়াত ১-২ এ উল্লেখ করা হয়েছে, “কসম প্রভাতের এবং ১০ রাতের”। সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) সহ বিশিষ্ট তাফসিরকারকদের মতে এই দশ দিন সাধারণ দিনের চেয়ে সর্বাধিক প্রিয় ইবাদতের সময়।

রাসুল (সা.) হাদিসে বলেছেন, “এই জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে কোনো দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে এই সময়ের আমলের চেয়ে বেশি প্রিয় হয় না।” (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ৫৪৪৪)

এই জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে কোরআন পাঠ, নফল নামাজ ও দান-সদকা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম দশকের আমল। নবীজি (সা.) এ বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন, “তোমরা এই জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে বেশি বেশি তাহলিল, তাকবির ও তাহমিদ আদায় করো।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭৭)

হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকা জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের মূল্য

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকা একটি সর্বাধিক সওয়াবের কাজ। রাসুল (সা.) উল্লেখ করেছেন, “হারাম কাজ থেকে বেঁচে থাকো, তবেই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইবাদতকারী হতে পারবে।” (জামে তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৫)

এই জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনে নবী (সা.) যেভাবে নামাজ পড়তেন, তাহলিল ও তাকবির পড়া অত্যাবশ্যক। এই দিনগুলোতে সকাল ও সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করা উচিত। সাহাবিরা এই সময়ে বাজারে ও পথে উচ্চ স্বরে তাকবির পাঠ করতেন। (সহিহ বুখারি, অধ্যায়: দুই ঈদের পরিচ্ছেদ, অনুচ্ছেদ: ১১)

রোজা ও সওয়াব নিয়ে জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন

জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের প্রথম দিন রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। বিশেষ করে নবম দিন বা আরাফার দিনে রোজা পালন করা গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) উল্লেখ করেছেন, “আরাফার দিনের রোজা এর আগের ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)

আরাফার ময়দানে অবস্থান করা হাজিদের জন্য রোজা না রাখা সুন্নত। এই জিলহজ

Leave a Comment