জামিন পেলেন মারামারি মামলায় সন্তানসহ জেলে যাওয়া লক্ষ্মীপুরের নারী
জ ম ন প ল ন ম – লক্ষ্মীপুরে মারামারি মামলায় জামিন পেলেন ফারহানা আক্তার, যিনি দুই শিশুসন্তান ও কোলে দেড় বছর বয়সী এক শিশুকে নিয়ে জেলে যাওয়া হয়েছিল। আজ বুধবার আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন এবং তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এটি নিশ্চিত করেন তাঁর আইনজীবী মহসিন কবির, যিনি ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেন। বলা হয় যে ফারহানা আক্তার এই জামিনের মাধ্যমে আবারও কারাগারে দুর্দশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মামলার প্রারম্ভ ও পরিস্থিতি
গত ৯ এপ্রিল ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে হামলার ঘটনায় আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীদের জামিন পেলেন এর পর থেকে তাঁদের স্থানীয় সম্প্রদায়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় লোকের জন্য একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘটনার গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। এর পর থেকে প্রতিপক্ষ ইসমাইল হোসেন মামলা করেন এবং পুলিশ আফতাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। কারাগারে যাওয়ার সময় ফারহানা আক্তার ও তাঁর স্বামী ইসমাইল হোসেন সন্তানদের সাথে রয়েছিলেন।
মামলার প্রক্রিয়া ও বিচারকের আদেশ
১৪ এপ্রিল আফতাব উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের জামিন পেলেন এর পর ফারহানা আক্তার ও জহির উদ্দিন আসামি হিসেবে আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁদের জামিনের আবেদন করা হয়। দুপুরে শুনানি হয়েছিল এবং বিচারক শাহ জামাল ফারহানা আক্তারকে জামিন মঞ্জুর করেন। সেই সাথে তাঁর স্বামী ইসমাইল হোসেন কারাগারে থাকতে হয়। তবে বিষয়টি কিছু সময় পরে আদালতে জানানো হয় যে মামলার বাদী মাহাতাব উদ্দিন ভূঁইয়া মাথা ফেটে মগজ বের হয়নি, সেটি চর্বি ছিল।
লক্ষ্মীপুরের এই ঘটনার ফলে ফারহানা আক্তারের দুই সন্তান পুনর্বাসন পেয়েছে, কিন্তু কোলে দেড় বছর বয়সী ছেলেটি কারাগারে ছিল। আইনজীবী মহসিন কবির বলেন, মামলায় তাঁর আক্রমণের ফলে কারাগারে সন্তানদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফারহানা আক্তারের আইনজীবী বলেন, কারাগারে যাওয়ার পর তাঁদের তিনটি সন্তানের মধ্যে দুই সন্তান বাড়িতে আছে। সেই সময় কারাগারে মায়ের সাথে কোলে দেড় বছর বয়সী ছেলেটি সাথে ছিল। এ ঘটনার কারণে সন্তানদের মানসিক ক্ষতি হয়েছিল এবং জামিন পেলেন এর সংবাদে তারা স্বস্তি পেয়েছে।
মামলার বাদী মাহাতাব উদ্দিন ভূঁইয়া মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার মাথায় গুরুতর আঘাত হয়েছিল, কিন্তু মগজ বের হয়নি। এ জন্য আমি মামলা করেছি। সেই মামলার ফলে আমার সন্তানদের জামিন পেলেন এর প্রতিক্রিয়া হয়েছে।’
জামিন পেলেন মামলার প্রক্রিয়ায় পুলিশ ও আদালতের পক্ষে দুর্দান্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ফারহানা আক্তারের জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর তাঁর পরিবার আবারও আশার নয়া শুরু হয়। কারাগারে থাকা অপর আসামি জহির উদ্দিনের পরিস্থিতি কিছুটা
