Uncategorized

জলের ঘড়ি পাল্টে দেবে ‘খোকাবাবু’ এল নিনো

জলের ঘড়ি পাল্টে দেবে খোকাবাবু এল নিনো জল র ঘড় প ল ট দ - প্রাচীন পেরু আর ইকুয়েডরের আদিবাসীরা এই সমুদ্রস্রোতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ‘খোকাবাবু’ নামে অভিহিত

Desk Uncategorized
Published June 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জলের ঘড়ি পাল্টে দেবে খোকাবাবু এল নিনো

জল র ঘড় প ল ট দ – প্রাচীন পেরু আর ইকুয়েডরের আদিবাসীরা এই সমুদ্রস্রোতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ‘খোকাবাবু’ নামে অভিহিত করেছিলেন। এ বছর এ ঘটনার আগমন ঘটেছে ১১ জুন। এ সময় সমুদ্রের তাপমাত্রা বেড়েছে এবং তার প্রভাবে বায়ুপ্রবাহের চাপ স্বাভাবিক থাকে না। এ ঘটনার প্রভাব সামনে রেখে যদি সুপরিকল্পিত খাল খনন করা যায়, তাহলে বৃষ্টিহীনতার চাপ থেকে রক্ষা পেতে পারে বাংলাদেশের কৃষি।

সমুদ্রের উপরিস্থিত বায়ুপ্রবাহ পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর থেকে জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে আমাদের উর্বর উপকূলে আসে। সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটলে এই প্রবাহের স্বাভাবিক ক্রম ভেঙে যেতে পারে। ফলে বর্ষার আগমনের ক্রম বিচ্ছিন্ন হতে পারে।

টাইগ্রিস আর ইউফ্রেটিস নদীর উর্বরতার ইতিহাস আমাদের জানা। এ বিষয়টি সাড়ে পাঁচ হাজার বছর পুরোনো। সভ্যতার পাদপীঠ হিসেবে মেসোপটেমিয়ার ব্যাবিলন এবং উড়ুকে নামে পরিচিত চন্দ্রাকৃতি উর্বর ভূমির পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল প্রাচীন কালে ফলনের মৌসুমে প্রবাহ পরিবর্তনের জন্য।

যে বিষয়টি খুব কম বিশেষভাবে বুঝা হয়েছিল, তা হলো টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর প্রবাহ ও প্লাবনের ঘটনা সম্পর্কে। মেসোপটেমিয়ার বিখ্যাত ‘ফারটাইল ক্রিসেন্টে’ বা চন্দ্রাকৃতি উর্বর ভূমির ভাগ্যে পানি জুটত অফুরান, তবে অসময়ে। ফলনের মৌসুম যখন অনেক দূরবর্তী, সেই বসন্তে গলিত হিমবাহের জলের তোড়ে ভেসে যেত নদীর দুকূল। আর যখন ফসলের মৌসুম, তখন হাহাকার করত মাটি। জলের আগমন আর জলের জন্য অপেক্ষার এই পৌনঃপুনিকতাই জন্ম দিয়েছিল চাষাবাদের কঠোর নিয়মানুবর্তিতার।

আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই অনিয়ম দেখা দেবে বাংলাদেশে। মেসোপটেমিয়ায় পানির অভাব ছিল বলা চলবে না, তবে এটি নিশ্চিত করে বলা চলে যে জলের ঘড়ি চলত ইচ্ছেমতো, অনিয়মে। এ বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাপপ্রবাহের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। দিনের তাপমাত্রা গড় থেকে ২ বা ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

খোকাবাবুর এই প্রত্যাবর্তন কেবল ক্ষণিকের নয়। আগমনের এ ঘনঘটায় আবহাওয়ার ওলটপালট চলবে ১২ �

Leave a Comment