ছাগল কিনলেই হাজার টাকা ‘চাঁদা’, ভাগ পাওয়ার দাবি নাকচ পুলিশের
ছ গল ক নল ই হ জ – বুধবার দুপুর বাজে আশপাশজুড়ে ছাগল বিক্রির খবর ছড়াচ্ছে। রাজধানী ঢাকার আরামবাগ এলাকার এজিবি কলোনির সড়ক সমূহে প্রতিদিন আনুষ্ঠানিক হাট ছাড়া ছাগল বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় মানুষজন এখানে আসছেন, ছাগল কিনতে চাইছেন। বটতলায় মানুষের জটলা দেখা গেল, যেখানে ষাটোর্ধ্ব বয়স্ক এক ব্যক্তি ছাগল কিনেছেন। তিনি যুক্তি দিচ্ছেন যে এই চাঁদাবাজি করেছে আওয়ামী লীগ।
অন্য একটি ঘটনায় রহমান নামের প্রবীণ ব্যক্তি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ছাগল কিনতে আসেন। তাঁরা ২৩ হাজার ৫০০ টাকায় একটি ছাগল কেনেন। প্রথমে কয়েকজন তরুণ তাঁদের কাছে ১ হাজার ১০০ টাকা ‘ইজারা ফি’ চাইছেন। পরে রসিদ কেটে দেওয়া হয়। সবুজ নামের ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর এলাকার পোলাপান মিলে কিছু টাকা নিই। যাঁরা কিনছেন তাঁদের প্রতি আমরা জোর করি না।’
প্রতিবেদক প্রতিবাদ করেন যে কোনো ইজারাদার নেই। কিন্তু তরুণ মাহবুবুর রহমান প্রতিবাদ করেন, ‘টাকা ছাড়া ছাগল নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না।’ বোঝা গেল যে প্রবীণ ছাগল কিনতে সম্মত নন তরুণটির দাবি করেছে। সে বলেন, ‘গত বছর এখানে ছাগল কিনেছিলাম, কেউ হাসিলের নামে চাঁদা নিল না।’
অন্য দিকে ছাগল কিনতে আসা প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে তো এ জন্য দেশছাড়া করা হয়েছে। তাদের পরিণতি কী হয়েছে, সেটি তোমরা ভুলে গেছ নাকি?’ তরুণ বলেন, ‘এখন যে বড় বড় কথা বলেন… আওয়ামী লীগের আমলে কিছু বলেন নাই। টাকা তখনো নেওয়া হতো, এখনো নেওয়া হচ্ছে।’
‘প্রশাসনে একটা খরচ যায়। তাঁদেরও ঈদের একটা খরচ আছে। আমরা এখানে পাই বলে, তারা আমাদের থেকে নেয়। মনে করেন, আমি যদি কিছু না পাই, আপনাকে কী দেব? পাই বলেই দিই।’
প্রতিবেদক জানতে চাইলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কারা এ বিষয়টি জানেন? সবুজ বলেন, ‘এটা অনেকেই জানে।’ মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পুলিশ-প্রশাসন টাকার ভাগ পায়, এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘এ ধরন
