চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি প্রতিযোগিতা শুরু
চট টগ র ম বন দর র – চট্টগ্রাম বন্দরের চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনার জন্য এবার সরাসরি প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব এই স্থানে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এছাড়া দেশীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে।
বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব
গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ–দুবাই প্ল্যাটফর্ম সভায় সিসিটি পরিচালনার প্রস্তাব দেয় ডিপি ওয়ার্ল্ড। এর দুই সপ্তাহ পর ২২ এপ্রিল সৌদি আরবের আরএসজিটি সরকারি–বেসরকারি যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব জমা দেয়। দুই দেশ সিসিটি পরিচালনার জন্য একে অপরের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।
সিসিটির ভৌগোলিক অবস্থান প্রতিযোগিতার বড় কারণ। এটি এনসিটি ও জিসিবির মাঝামাঝি হওয়ায় যে পক্ষ এটি পাবে, তারা কার্যত বন্দরের বেশির ভাগ কনটেইনার পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ পাবে।
২০২৪ সালে আরএসজিটি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এনসিটি ও সিসিটি পরিচালনার জন্য বর্তমানে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবে সম্প্রতি সৌদি আরবে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই প্রতিযোগিতা শুধু বন্দর ব্যবসার নয়, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অংশও।
অপারেটরদের মূল আগ্রহ
চট্টগ্রাম বন্দরে চালু টার্মিনালগুলো কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের প্রস্তাব জমা দেয়া হয়েছে। নতুন টার্মিনাল নির্মাণে শতকোটি ডলার বিনিয়োগ ও দীর্ঘ নির্মাণঝুঁকি থাকে। চালু টার্মিনাল হাতে পেলেই তাৎক্ষণিক নগদপ্রবাহ নিশ্চিত হয়।
এমজিএইচ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস আহমেদ বলেন, ‘এনসিটি পরিচালনায় অন্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বন্দরকে বেশি রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছি আমরা।’ তিনি মন্তব্য করেন যে দেশের টাকা দেশেই থাকবে।
গত বছর মার্চে এমজিএইচ গ্রুপ সিসিটি পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে এনসিটি পরিচালনার জন্য নতুন করে প্রস্তাব জমা দেয়। তারা প্রতি কনটেইনারে ৯৮ দশমিক ৫০ ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। দাবি রয়েছে যে এ মডেলে ১৫ বছরে বন্দর প্রায় ২০ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা আয় করতে পারবে।
সরকারের সিদ্ধান্ত বর্তমানে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে মূল্যায়ন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। সিসিটি ও জিসিবি কোন মডেলে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে চ�
