Uncategorized

গ্রামে অর্ধেক পরিবারে ফ্রিজের ব্যবহার: বিবিএসের জরিপ

গ্রামে অর্ধেক পরিবারে ফ্রিজের ব্যবহার: বিবিএসের জরিপ গ র ম অর ধ ক পর - প্রাক-দশকে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ ছিল দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণির ঘরে ঘরে বিলাসী

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গ্রামে অর্ধেক পরিবারে ফ্রিজের ব্যবহার: বিবিএসের জরিপ

গ র ম অর ধ ক পর – প্রাক-দশকে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ ছিল দেশের মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণির ঘরে ঘরে বিলাসী পণ্য। বর্তমানে সেই বাজার প্রায় সম্পূর্ণ বদলে গেছে। বিদ্যুতায়নের সার্বিক প্রসার, মূল্য কমতে থাকা এবং প্রযুক্তির স্থানীয়করণ যোগ করে দেশে এখন ফ্রিজ শিল্প বার্ষিক ১১ হাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার আর্থিক উৎপাদনে রূপান্তরিত হয়েছে।

বর্তমানে প্রায় অর্ধেক পরিবারে ফ্রিজ ব্যবহার করা হচ্ছে। গ্রামে বিক্রির হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো দেশীয় প্রযুক্তির সাথে সাশ্রয়ী মূল্যের ফ্রিজ প্রস্তুত করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো অনুযায়ী দেশের মোট ফ্রিজ চাহিদার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ এখন দেশীয় কারখানায় তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ গৃহস্থালি সমীক্ষায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশের ৫৩.৪ শতাংশ পরিবারের নিজস্ব রেফ্রিজারেটর রয়েছে, যা ২০২১ সালে ছিল মাত্র ৪৫ শতাংশ। গ্রামাঞ্চল এই গ্রোথের প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে। এখন শহরে ৭০ শতাংশ পরিবার ফ্রিজ ব্যবহার করলেও গ্রামে এই হার দ্রুত উন্নত হয়েছে যেহেতু ক্রেতাদের বিদেশী পণ্য থেকে দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইলক্ট্রো মার্ট গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আফছার বলেন, দেশের ফ্রিজ বাজারে স্থানীয় উৎপাদনকারীদের প্রতিযোগিতা বিস্তার লাভ করেছে। ক্রেতাদের পছন্দসই পণ্য দেওয়ার জন্য বিশেষ মানের প্রযুক্তি এবং গুণ তৈরি করা হচ্ছে। এখন দেশে তৈরি ফ্রিজ বিদেশী পণ্যের চেয়ে সাশ্রয়ী, তাই বিক্রির হার ৯০ শতাংশের বেশি।

নুরুল আফছার বলেন, দেশীয় শিল্পের সোনালি সম্ভাবনা সত্ত্বেও কিছু বড় চ্যালেঞ্জ উপস্থিত হচ্ছে। দেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ সফল করার জন্য করসুবিধার মেয়াদ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বাড়ানো উচিত। কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে উচ্চ ভ্যাট না �

Leave a Comment