Uncategorized

ঈদে ১০টি গরু কাটার কাজ নেবেন আমজাদ, কত টাকায় কাটবেন একেকটি?

ঈদে আমজাদ কারওয়ান বাজারে দশটি গরু কাটছেন, কত দাম নেবেন একটি একটি গরুতে? ঈদ ১০ট গর ক ট র ক - ঈদের ছুরি থেকে শুরু করে মাংস প্রস্তুতের কাজে আমজাদ পরিচিত হন

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঈদে আমজাদ কারওয়ান বাজারে দশটি গরু কাটছেন, কত দাম নেবেন একটি একটি গরুতে?

ঈদ ১০ট গর ক ট র ক – ঈদের ছুরি থেকে শুরু করে মাংস প্রস্তুতের কাজে আমজাদ পরিচিত হন কারওয়ান বাজারে। পূর্বে তিনি গত বছর চোদ্দটি গরু কাটেন। এবার তাঁর করতে হবে দশটি পশু। সজীব মিয়া তাঁর কসাই জীবনের গল্প শুনেছেন। ভরদুপুরে বাজারে যাওয়া হলে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেল। গরু কাটা, ওজন দেওয়া, দাম নেওয়া চলছে ক্রেতাদের সামনে। কথা বলার সময় কম। যখন তাকিয়ে পরিচয় জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন বলেন, ‘বিকেলে আসুন, কথা বলা যাবে।’

বেচাকেনার গতি দেখে মনে হয়েছিল ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সব মাংস শেষ হবে। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে বিকেলে আবার আসার সময় লোহার আংটায় ঝুলছে কয়েক ফালি গরুর মাংস। ছয়জন কর্মচারী সহ তাঁর দোকানে কাজ করেন। স্ত্রী আর দুই ছেলে গ্রামের বাড়িতে থাকেন। সারা জীবন কাটাচ্ছেন কারওয়ান বাজারে। নিজের নামেই দোকানের নাম ‘আমজাদ এন্টারপ্রাইজ’।

‘বিক্রি একটু ডাউন।’ আমজাদ বলেন। নিজের প্রস্তুত করার জন্য দরকার হয় শরীরের সাথে অভিজ্ঞতা। সেই কারণে কেউ সুন্দরভাবে কাটতে পারবে না যদি ভুলভাবে কাজ করে। এত দামে গরু কিনে কেউ তো মাংস নষ্ট করতে চাইবে না।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে ছোট বয়সে ঢাকায় এসেছিলেন আমজাদ। চাচা মো. করিম ছিলেন বাজারের পরিচিত কসাই। চাচার হাতে থেকে তিনি সেই ব্যস্ত বাজারে পথচলা শুরু করেন। শুরুতে ছুরি হাতে কাজ করেন নি। চাচার ফাইফরমাশ খাটতেন—চা এনে দেওয়া, খাবার নিয়ে আসা, বাজারের ব্যাগ বাসায় পৌঁছে দেওয়া। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে কসাইখানা শিখেন। গোশত নষ্ট হয় না কীভাবে, পশুর পা বাঁধতে হয় কীভাবে, আলগোছে কীভাবে পশুটিকে শোয়ানো যায়—সব হাতে–কলমে শিখেছেন।

ঈদের মৌসুমে দর পরিবর্তন হয়। সকালে গরু কাটার কাজে সবাই তাড়াহুড়া করে। বিকেলের দিকে কখনো কখনো দাম কমে হাজারে ১০০ টাকাতে কাজ করেন। সাধারণত হাজারে ২০০ টাকা হিসাবে কাজ নেন। এক লাখ টাকার গরু হলে তাঁর দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার জন্য মাংস তৈরি করা হয়। এই আয় দিয়াই চলতে হয়।

ঈদের পরদিন তিনি বাড়ি ফিরে যান। সেদিন নিজের কোরবানির পশু জবাই করেন। অন্যের ঈদ শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় তাঁর নিজের ঈদ। বিকেলের দিকে যখন একেকটি গরু জবাই করা হচ্ছে, তখন সাড়ে ছয়টার দিকে দিলু রোড মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর নিয়মিত আছে বাজারে কাজ করা।

আমজাদের সঙ্গে এবার ছয়জন দল কাজ করবে। তিনজন পেশাদার আর তিনজন সহকারী। পেশাদারদের কাজ হল গরু জবাই, চামড়া ছাড়ানো আর মাংসের মূল অংশ কেটে আলাদা করা। সহকারীদের কাজ হল মাংস টুকরা করা আর পরিষ্কার করা।

আমজাদ চান না সন্তানদের এই পেশায় দেখতে। তাঁর দুই সন্তা�

Leave a Comment