খুশির রঙে এল ঈদুল আজহা
খ শ র রঙ এল ঈদ ল – বছরের সমাপ্তির পর আবার উপস্থিত হয়েছে ঈদুল আজহা, যার মাধ্যমে সাম্য ও ত্যাগের বার্তা প্রচার করা হয়। এ উৎসব মুসলমানদের জীবনে দুই প্রধান উল্লেখযোগ্য সময়ের একটি। হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের দশম তারিখে এ উৎসব উদ্যাপিত হয়। অনুমান করা হয়েছে যে এবার আগের দিন চাঁদ দেখার দরকার হবে না, যেহেতু ঈদের তারিখ প্রাকৃতিক সূত্রে নির্ধারিত হয়।
ঈদুল আজহার প্রস্তুতি আগে থেকে শুরু হয়ে গেছে। গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসা, পশু কেনা থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। এ বছর হাওরে ফসলহানি ঘটেছে, বিপুল সংখ্যক মা কোল খালি হয়েছে। মানবিক সংকট এবং মূল্যস্ফীতির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবু প্রতিকূলতার মধ্যেও উৎসবের ছায়া ছাড়া হয় নি।
ঈদের আনন্দ ও সামাজিক বন্ধন
সামর্থ্য-অসামর্থ্যের সীমা মেনে মানুষ খুঁজছেন মিলনের সুখ ও স্বস্তির মুহূর্ত। কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, ‘ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ এলো আবার দুস্রা ঈদ কোরবানি দে কোরবানি দে শোন্ খোদার ফর্মান তাকিদ।’ সবাই যার যার সাধ্যমতো খুশি ও আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করেন। কেউ একা পশু কোরবানি দেন, কেউ সহযোগিতার মাধ্যমে ভাগ করে দেন।
নামাজ শেষে বুকে বুক মিলিয়ে ছড়িয়ে দেবেন ভ্রাতৃত্বের বার্তা। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আশায় সামর্থ্য অনুযায়ী দেওয়া হবে পছন্দের পশু কোরবানি।
ঈদে মানে খুশি, মানে আনন্দ। ধনী বা নির্ধন সবাই তাঁদের ক্ষমতা অনুযায়ী উৎসবে ভাগ নেবেন। সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মের এই আহ্বান। কোরবানি দেওয়া হয়ে যাওয়া মাংস তিন ভাগে ভাগ করে প্রতিদিনের পশু কোরবানির মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক বিস্তার করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ঈদে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রাজশাহীতে বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকার কথা বলা হয়েছে।
ঈদ মানে নির্দোষতা ও আত্মশুদ্ধি। কবি নজরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘মনের মাঝে পশু যে তোর আজকে তারে কর্ জবেহ, পুল্সেরাতের পুল হতে পার নিয়ে রাখ্ আগাম রসিদ্।’ সুরা হজের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন,
