শেষ দিনেও বৃষ্টিতে ভাটা রাজধানীর পশুর হাট
শ ষ দ ন ও ব ষ – আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আগে গতকাল বুধবার ছিল পশুর হাটের শেষ দিন। শেষ বিকেলে বেচাকেনা জমে ওঠার আশা ছিল, কিন্তু রাজধানীর হাটগুলোতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি, গাবতলী ও উত্তর শাহজাহানপুর হাটে ক্রেতার উপস্থিতি কম হওয়ায় বিক্রি পরিমাণ স্থায়ী হতে পারেনি। বৃষ্টিতে হাটের ভেতরে কিছু স্থানে কাদাপানি জমে আছে এবং বিক্রেতারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
বৃষ্টির কারণে বিক্রি সমস্যা
ফরিদপুরের নগরকান্দা থেকে ১৫০টি গরু নিয়ে উত্তরা দিয়াবাড়ি হাটে আসেন ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম রবি। তিনি বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে বেশি সমস্যা হয়েছে। কোথাও কোথাও ত্রিপল ছিঁড়েও গেছে এবং পানি জমে আছে। তাঁর নিয়ে আসা ৩০টি গরু এখনো অবিক্রীত রয়েছে।
রবিউল ইসলাম বলেন, ‘কোনোটা দুই-এক হাজার লাভে বিক্রি করছি, কোনোটা কেনা দামে। সব মিলাইয়া লসে আছি।’
গতকাল বিকেলে উত্তর শাহজাহানপুর হাটে পাইকার মেসবাহ উদ্দিন পর্যাপ্ত বিক্রি করতে পারেনি। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার দুই লাখ টাকায় গরু কিনতে চাওয়া হত, কিন্তু বৃষ্টির কারণে ক্রেতারা দাম না দিয়ে চলছেন।
মেসবাহ উদ্দিন বলেন, ‘গরু যদি ঘুরাই নেন, তাইলে খবর কইয়েন। যদি ঘুরাই নেওন লাগে। ঘুরাই তো নেওন নাগবই।’
গাবতলী হাটে মানিকগঞ্জ থেকে গরু আনা খামারি রাশেদ হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত ১০টি গরু বিক্রি হয়েছে, কিন্তু ৬টি অবিক্রীত রয়েছে। তিনি লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
রাশেদ হাসান বলেন, ‘মোটামুটি লাভ হইছে। তবে বাজারটা ভালো না।’
যাঁরা গরু কিনছেন, তাঁদের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দিকে ঝুঁকছে। বড় আকারের গরুর চাহিদা কম। ফলে কাঙ্ক্ষিত দাম তো দূরে থাকুক, অনেক ক্ষেত্রে অর্ধেক দামও বলছেন ক্রেতারা।
বিশাল গরুর দাম হ্রাস হয়েছে
টাঙ্গাইলের নাগরপুর থেকে উত্তরা দিয়াবাড়ি হাটে ‘টাঙ্গাইলের মান্না’ নামের একটি বিশাল গরু এনেছেন খামারি কোহিনুর ইসলাম। প্রায় ১ হাজার ১০০ কেজি ওজনের গরুটির দাম চেয়েছেন ১২ লাখ টাকা, কিন্তু ক্রেতারা ৮ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার বেশি দেওয়ার আশা রাখছেন না।
রাজধানীর হাটগুলোতে বড় আকারের ও বাহারি গরুগুলো বেশির ভাগই অবিক্রীত রয়েছে। ক্রেতারা ছোট ও মাঝারি
