কৌশলে পাটখেতে নিয়ে যান আসামি মুজাহিদ, চিৎকার করায় গলা টিপে ধরে নেয়া হয়েছে
ক শল প টখ ত ন য় – তারাগঞ্জ উপজেলার ভীমপুর কোরানীপাড়া এলাকায় একটি শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মুজাহিদ ইসলাম (১৮)। ঘটনার পর তাঁকে আদালতে তুলে আনা হয়, যেখানে তিনি আপন অপরাধ স্বীকার করেন। তিনি বিচারকের কাছে জবানবন্দি দিয়ে পরিচিতি প্রদান করেন।
অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া
পুলিশ সোমবার রাতে সেই এলাকা থেকে মুজাহিদকে গ্রেপ্তার করে। গত শনিবার দুপুরে শিশুটির মরদেহ পাটখেতে উদ্ধার করা হয়। শিশুটির বাবা প্রতিবেদন তৈরি করেন ও মামলা করেন। পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করে।
তারাগঞ্জ থানার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শুক্রবার শিশুটি মা থেকে বকুনি পেয়ে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়। জুমার নামাজের পর তিনি রাস্তায় পাটখেতের দিকে যায়। এখানে মুজাহিদ কৌশলে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। তারপর চিৎকার করায় তাকে গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পুলিশ ঘটনার তদন্ন করে জেলা ও গোয়েন্দা পুলিশের দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত কুমার রায়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার স্বীকৃতি জানান। শিশুটির মৃতদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পরিস্থিতি ও বিশ্লেষণ
ঘটনার পর শিশু বাবার অভিযোগে মামলা করা হয়। পুলিশ এই ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহ করে ক্রাইম বিষয়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়ের পর্যবেক্ষণে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। কৌশলে পাটখেতে নিয়ে যাওয়া ঘটনাটি আইনী কার্যক্রমে চূড়ান্ত হয়। বাবা শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
