কোরবানি ও মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে আহত শতাধিক
ক রব ন ও ম স ক – যেহেতু আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ১১৫ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার দিন পশু কোরবানি ও মাংস কাটাকাটির কাজে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তাঁদের সবাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পেতে আসেন। ছুরি ও বঁটির কোপে কারও হাত, কারও পা বা আঙুল কেটে গেছে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসা প্রাপ্তির পরিস্থিতি
দুপুরে জরুরি বিভাগে দেখা গেছে গরু কোরবানি ও মাংস কাটার কাজে আহত ব্যক্তিরা। তাঁদের কাপড় ও শরীরে কোরবানির মাংসের রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীসহ ঢাকার আশপাশের জেলা থেকেও অনেকে আসেন। তবে ঢাকার বাইরে থেকে আসা মানুষের বেশি অংশ স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তাঁদের ক্ষত গভীর হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অনিক হোসেন (১৭) বলেন, “হুজুরের পেছনে দাঁড়িয়ে গরু জবাই করা দেখছিলাম। জবাই শেষে পিছনে আসতেই হুজুরের ছুরিতে বাঁ হাতের কবজির ওপরের অংশে কেটে গেছে। রক্ত বেধে যাওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এখানে এক্স-রে করিয়েছি।”
শিরিন শিলা (২২) বলেন, “ধারালো বঁটি দিয়ে গরুর মাংস কাটাকাটি করছিলাম। হাড়ের মাংস কাটার সময় পিছনে ডান হাতের তালু কেটে গেছে। বেলা দুইটার দিকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়নি। সঙ্গে থাকা বড় বোন হাতটি কাপড়ে পেঁচিয়ে রেখেছেন।”
আহতের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিস্থিতি
সকাল থেকেই আহত ব্যক্তিরা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করতে আসেন। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ৮৫ জন আহত ব্যক্তি জরুরি বিভাগে গিয়েছেন। বেলা বাড়তে থাকে এবং সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১১৫ জনে পৌঁছেছে। বেলা আড়াইটার দিকে চিকিৎসক সঞ্জয় বড়ুয়া হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন। তিনি বলেন, “আজ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮০ জন পশু কোরবানি ও মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। একজন গরুর শিংয়ের গুঁতায় গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর পাকস্থলীতে রক্ত জমাট বেঁধে গেছে। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে।”
অস্ত্রোপচার কক্ষের সামনে শয্যাগুলোতে শুয়ে বসে কাটার ব্যথায় কাতরাচ্ছেন আহতরা। স্বজনেরা অস্ত্রোপচার কক্�
