Uncategorized

কাতারের প্রতিনিধিদল তেহরানে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পর গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধানও

তেহরানে পৌঁছেছে কাতারের প্রতিনিধিদল ক ত র র প রত ন - শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে কাতারের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে এ সফর

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

তেহরানে পৌঁছেছে কাতারের প্রতিনিধিদল

ক ত র র প রত ন – শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে কাতারের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে এ সফর করা হয়েছে, যাতে সামরিক অবস্থার সমাপন ও বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সহায়তা করা যাবে। এ বিষয়ে জানাশোনা আছে যে, কাতারের দলটি একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তেহরানে পৌঁছেছেন

পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির রাতে সরকারি সফরে ইরানে আসেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইতিমধ্যে তেহরানে অবস্থান করছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। জবাব দিয়ে ইরান মার্কিন ঘাঁটি ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। কাতারও এ হামলার শিকার হয়েছিল।

গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘটে। পরে ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রায় ২১ ঘণ্টা সরাসরি আলোচনা করেন। কিন্তু কোনো সমঝোতা ছাড়া বৈঠক শেষ হয়। অন্যদিকে ইরানের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানায়, এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি। তবে মতপার্থক্যগুলো আগের চেয়ে কমে এসেছে।

“কিছু ভালো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে আমি খুব বেশি আশাবাদী হতে চাই না… দেখা যাক আগামী কয়েক দিনে কী ঘটে।”

কাতার ইরানে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এ দুটি বিষয় বর্তমানে আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান কাতারের শিল্পনগরী রাস লাফানের এলএনজি কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। কাতার যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ নন-ন্যাটো মিত্র। আল উদেইদ ঘাঁটি কাতারে অবস্থিত।

নিরাপত্তা সূত্রে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, সেনাপ্রধান আসিম মুনির ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা, আঞ্চলিক শান্তি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন। সফরকালে তিনি ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বিরোধ নিষ্পত্তির বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন।

পাকিস্তান মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার প্রধান মধ্যস্থ হিসেবে কাজ করছে। কাতারের যোগাযোগ সহায়তার ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটি দীর্ঘদিন ধরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য ব্যাক-চ্যানেল যোগাযোগের মাধ্যম।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি। শুক্রবার সুইডেনে ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে কাতারের তেহরান সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্কো রুবিও বলেন, “আমরা সবার সঙ্গে কথা বলছি। তবে আমি বলব, আমরা মূলত পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করছি এবং সেটি বহাল রয়েছে।”

Leave a Comment