জৌলুশ হারিয়েছে মতিঝিল, নতুন বাণিজ্যিক কেন্দ্র গুলশান–বনানী
জ ল শ হ র য় ছ – মতিঝিল সম্প্রতি তার সূর্যোদয় পর্বের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে অবস্থান করে এলাকার প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম কমে আসছে। প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের কার্যালয় নতুন ঢাকামুখী হয়ে যাওয়ায় এখানে বেশিরভাগ ভবন খালি হয়ে গেছে। সেগুলো ভাড়া দেওয়ার জন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। ফলে এই এলাকা আরও গুরুত্বহীন হয়ে আসছে। অন্যদিকে গুলশান-বনানীতে নতুন করে বাণিজ্যিক প্রকল্প উঠছে।
১৯৫০ এর দশকে মতিঝিল ঢাকার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে অবস্থান করত। এখানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক এবং বিমা কোম্পানির কার্যালয় স্থাপন হয়। আবার শেয়ারবাজার থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে কেন্দ্রিত হত। এটি দেশের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
১৯৭৭ সালে তাঁর পরিবার ধানমন্ডি থেকে বনানীতে চলে আসে। আজও তিনি বনানীর এক সড়কে বসবাস করছেন। কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউতে খোলা মাঠ ছিল, টেনিস কোর্ট রয়েছে। সেখানে তাঁরা খেলেছেন।
বনানীর আবাসিক থেকে বাণিজ্যিক রূপান্তর ছিল সে সময় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে। আমি ছিলাম কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউতে বাণিজ্যিক স্থাপনা করার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই ঢেউ গিয়ে লাগে গুলশান অ্যাভিনিউতে।
১৯৬১ সালে গুলশান আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিকল্পিত হয়। কিন্তু পরবর্তী বছরগুলোতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন গুলশানের কয়েকটি প্রান্ত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবস্থা করে। এর ফলে সুনিবিড় আবাসিক এলাকা সম্প্রসারিত হয়ে গেছে।
১৯৯০ এর দশকে বাঙালি ব্যবসায়ীদের প্রাধান্য ছিল মতিঝিলে। তাঁদের মধ্যে প্রখ্যাত ছিলেন সিরাজউদ্দীন, চাঁদ টেক্সটাইল মিলের ফকির চাঁদ, আশেক লেনের জিল্লুর রহমান এবং বালিয়াদির জমিদার ও ব্যবসায়ী লাবিউদ্দীন আহমেদ সিদ্দিকী। তাঁদের নির্মিত আমিন কোর্ট ও আদমজী কোর্ট ভবন এখনো ঐতিহাসিক সাক্ষী হয়ে আছে।
১৯৭৭ সালে তাঁর পরিবার ধানমন্ডি থেকে বনানীতে চলে আসে। এখনো তি�
