করোনায় থেমেছিল পড়াশোনা, শামীম এখন পেশাদার কসাই
ঈদের দিন বেলা আড়াইটা
কর ন য় থ ম ছ ল – ঈদের দিন বেলা আড়াইটা। মিরপুর-১২ নম্বর সেকশনের সি-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কের একটি ভবনের সামনে কোরবানির ব্যস্ততা অব্যাহত ছিল। মাঝারি আকারের গরুর মাংস কাটার কাজে তিনজন ব্যস্ত ছিলেন। তাঁদের নেতৃত্বে শামীম মিয়া ছিলেন একজন ২৩ বছর বয়সী।
পড়াশোনার স্বপ্ন বাদ পড়েছিল
করোনা মহামারির আগে শামীম ছিলেন স্কুলের ছাত্র। ২০২০ সালে আর্থিক সংকট বৃদ্ধির সময় তাঁর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় সেটি ঘটে। অটো পাস করে মাধ্যমিক পাস পেলেও আবার স্কুলে ফেরা হয়নি। স্কুলে যোগ্যতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নবম শ্রেণির কথাই বলেন শামীম।
মামার সাহায্যে পেশায় উঠেছিলেন
ভাসানটেক বস্তিতে পরিবার সহ থাকেন শামীম। পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার পর জীবিকার তাগিদে তিনি একটি গরু মাংসের দোকানে সহকারীর কাজ শুরু করেন। দোকানটির মালিক তাঁর মামা আবদুল কুদ্দুস। তাঁর কাছে কসাইয়ের কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন। কয়েক বছর পর তিনি নিজেই চুক্তি নিয়ে গরু কাটার কাজ করতে শুরু করেন।
ঈদের দিন সকাল থেকে ব্যস্ত সময় কাটছে
ঈদের দিন সকাল থেকে ব্যস্ত সময় কাটছে তাঁর। মিরপুরে এই কাজের আগে ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় চারটি গরু এবং তিনটি খাসি কাটার কাজ শেষ করেছেন। এ সময় দুটি গরু মামার সাথে কাটা হয়, বাকি দুটি নিজের চুক্তিতে।
বেশি আয়ের আশায় কাজ করছেন
একটি গরু কাটার কাজে কত আয় হয় তা জানতে চাইলে শামীম বলেন: “ঈদের দিন সকালে গরু কাটার জন্য হাজারে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হয়। এক লাখ টাকার গরু কাটলে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হয়।” দুপুরে হাজারে ১০০ টাকা হিসাবে কাজ করতে হয় বলে জানান তিনি।
সহযোগীদের পারিশ্রমিক দিতে হবে
গরু কাটার কাজে প্রতিটি গরু জবাই করতে কত সময় লাগে তা জিজ্ঞাসা করলে শামীম বলেন: “সকালে শরীরে শক্তি থাকে, তখন এক থেকে দেড় ঘণ্টায় কাজ শেষ করা যায়।” দুপুরের পর শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, তখন দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাও সময় লাগে।
মাংস কাটার আয়ের সংখ্যা
ঈদের দিন মোট আয় নিশ্চিত নন শামীম। কারণ প্রথম দুটি গরু মামার সঙ্গে কাজ করেছেন। সেখান থেকে কত পাবেন, তা মামাই নির্ধারণ করবেন। তবে নিজের চুক্তিতে করা দুটি গরু থেকে প্রায় ১৯ হ
