তেহরানের ওপর আস্থা নেই ওয়াশিংটনের, চুক্তি নিয়ে আলোচনার আগ্রহ তেহরানের নিকট আন্তরিক হলেই হবে
ওয় শ টন র ওপর আস থ – ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কোনো আস্থা রাখে না। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন যদি চুক্তি নিয়ে আন্তরিক হয়, তবে তেহরান সেই দিকে আগ্রহী হবে। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালিতে প্রায় সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়। উল্লেখযোগ্য হল বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে প্রতিদিন এক-পঞ্চমাংশ তেল গ্যাস পরিবহন হয়।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও তেহরান ও ওয়াশিংটন চুক্তি নিয়ে সমঝোতা পৌঁছাতে পারেনি। গত সপ্তাহে উভয় পক্ষ একে অপরের সর্বশেষ প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনার প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়নি, কিন্তু অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা ইরানের নিয়ন্ত্রণের প্রতি সম্পূর্ণ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে ইরান সব সময় তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করবে।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার প্রক্রিয়া স্থগিত রয়েছে। আরাগচি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাংঘর্ষিক বার্তার’ কারণে তেহরানের মনে মার্কিনদের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
গত ১৩ মাসে তেহরানের সঙ্গে দুই দফা আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই ইরান বর্তমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তবে প্রয়োজনে আবারও যুদ্ধে ফিরতে তেহরান প্রস্তুত বলে জানান আরাগচি।
আলোচনার বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। আরাগচি আরও জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সঙ্গে আলাপকালে তেহরানকে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি একমত হয়েছেন।
বেইজিংয়ের মধ্যস্থতার বিষয়ে তেহরানের অবস্থান জানতে চাইলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সহায়তা করতে সক্ষম যেকোনো দেশের উদ্যোগকেই মূল্যায়ন করে ইরান। তিনি জানান, ‘চীনাদের উদ্দেশ্য ভালো। তাই ক�
