মানবতার দার্শনিক সরদার ফজলুল করিমের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান
ত ন ছ ল ন ম নবত – সরদার ফজলুল করিমের স্মৃতিকথা সম্পর্কে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব অধ্যাপক এম এম আকাশ। তিনি বলেন, যে কোনো মানুষ তাঁর সময়, স্থান ও পরিবেশের ওপর নির্ভর করে। যে সময়ে কমিউনিস্ট আন্দোলন বৃদ্ধি পেয়েছিল, সেই যুগের মানুষ ছিলেন সরদার ফজলুল করিম। তিনি একটি অবিচ্ছেদ্য বিশেষণ দিয়েছিলেন এক সমাজের জন্য লড়াই করা কথা।
“আমরা যে সমাজের স্বপ্ন দেখি, সেটিকে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বলে বর্ণনা করি। কিন্তু সরদার ভাই তাঁর মত ছিল শোষণবিরোধী সংগ্রামের স্বপ্ন। তিনি বলেছিলেন যে কোন যেখানেই থাকুন, আমরা শোষিতের পক্ষে।”
আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শান্তনু মজুমদার। তিনি জানান যে সরদারের রচনাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করা হবে এবং স্থায়ী সামাজিক চর্চার জন্য গ্রন্থ প্রকাশের প্রস্তাব দেন।
অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বলেন, দার্শনিকতার ধারায় সরদার ফজলুল করিম কোন স্থানে অবস্থান করেন সে বিষয়ে আলোচনা কম হয়। তিনি নিয়মিত প্রশ্ন করে গেছেন সমাজের বঞ্চনা কমানোর জন্য।
সরদার ফজলুল করিমের প্রাবন্ধিক ধারা
সরদার ফজলুল করিমের দার্শনিকতার নাম দেওয়া হয়েছে এসেয়িস্ট ধারা। তাঁর চিন্তা মানুষকে সবসময় সংশয়ের মধ্যে রেখেছে। তিনি যে কোনো নিশ্চয়তাবোধ বা সহজ উত্তরের বিরুদ্ধে তর্ক করতেন।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, সরদারের মুখে সব সময় সারল্যের হাসি ছিল। আজ নগরায়ণ বা সংস্কারের আলাপে কোনো দর্শন নেই। তাঁর ছোটো মেয়ে আফসানা করিম স্বাতী বলেন, তাঁর মা সুলতানা রাজিয়া কলি ছিলেন এক অনন্য শিক্ষার্থী। কিন্তু তাঁর কথা সেভাবে স্মরণ করা হয় না।
“১৯৫৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি বাবার জীবনসঙ্গী হয়েছিলেন। কিন্তু ২০০৯ সালের ২৩ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁর ছায�
