ওসমানী বিমানবন্দর জমি অধিগ্রহণ দাবিতে আন্দোলন
ওসম ন ব ম নবন দর সিলেট জেলার বিমানবন্দর প্রকল্পের অধিগ্রহণ করা জমির ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলন চালানো হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভুক্তভোগীরা সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয় এবং পরবর্তীতে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। অধিগ্রহণ করা জমি ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত স্থানে অবস্থিত যেমন ধূপাগোল, ছালিয়া, আটকিয়ারী, লালবাগ, রঙ্গিটিলা, চরচড়িকান্দি এবং বাইশটিলার এলাকাগুলো। ওসমানী বিমানবন্দর নিরাপত্তাবেষ্টনী ও টহল সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কারণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে যেহেতু ক্ষতিপূরণ পরিশোধ পাওয়া যায়নি ভূমির মালিকদের।
বিমানবন্দর প্রকল্প এবং ক্ষতিপূরণের তারিখ
ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্প সিলেট জেলার সিলেট সদর উপজেলার কেওয়াছড়া, ছালিয়া, বড়শালা এবং আঙ্গারুয়া মৌজার খাদিমনগর ইউনিয়নে বিস্তার পেয়েছে। বিমানবন্দর বিস্তারের কারণে এই এলাকার জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে এ বিষয়ে এলএ মামলার আওতায় যৌথ তদন্ত সম্পন্ন হয় এবং ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য চালু করা হয় চার ধারার নোটিশ। তবে এখনও ভূমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। চলতি বছর পুনরায় তদন্ত করা হয়েছে যেহেতু বিমানবন্দর প্রকল্পের ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে নতুন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ভূমি মালিকদের অভিযোগ এবং বিষয়টি সমাধানের আশার জন্য প্রতিক্রিয়া
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন সায়েস্তা মিয়া, হালিম আহমদ, বুলবুল আহমদ, মন্তাজ আলী এবং আব্দুল হাকিম প্রমুখ। তাঁদের অভিযোগ মতে, গত ছয় বছর ধরে কেবল আশ্বাস প্রদান করা হয়েছে কিন্তু ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়া যায়নি। ওসমানী বিমানবন্দর নিরাপত্তাবেষ্টনী ও টহল সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কারণে প্রায় ২০০ পরিবার প্রভাবিত হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন সন্তানদের পড়াশোনা ও ঘরবাড়ি মেরামত ব্যাহত হয়েছে।
“ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের জন্য ভূমির মালিকদের আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে যেসব জটিলতা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত সমাধানে ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্প সংক্রান্ত দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেয়া হয় ভুক্তভোগীদের। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ওসমানী বিমানবন্দর প্রকল্পের ক্ষতিপূরণ পরিশোধ না হলে আরও উত্তেজনার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁদের দাবি অনুযায়ী, জমি অধিগ্রহণের সময় মালিকদের ক্ষতিপূরণ না পেয়ে পরিবারগুলো এখনও দুর্দশা ভোগ করছে। ওসমানী বিমানবন্দর নিরাপত্তাবেষ্টনী নির্মাণ
