Uncategorized

বদলির পরও কার্যালয় ছাড়ছেন না হাইওয়ে পুলিশের এসপি, ১৬ চিঠিতে ৭৭ জনকে রদবদল

হাইওয়ে পুলিশের ময়মনসিংহ অঞ্চলের এসপি দায়িত্ব ছাড়ছেন না বদল র পরও ক র য লয় - বদলি হওয়া পর্যন্ত কাজী মো.

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হাইওয়ে পুলিশের ময়মনসিংহ অঞ্চলের এসপি দায়িত্ব ছাড়ছেন না

বদল র পরও ক র য লয় – বদলি হওয়া পর্যন্ত কাজী মো. ছোয়াইব কর্মাগত দায়িত্ব বজায় রেখেছেন। তিনি দুই দফা বদলির আদেশ অমান্য করে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। সরকার তাঁকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে বদলি করার পরও দায়িত্ব ছাড়ছেন না তিনি।

১৬ চিঠিতে ৭৭ জনকে রদবদল

বদলি আদেশের পর ১১ মে পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন জায়গায় ৭৭ কর্মীকে বিনিময় করেছেন। সদর দপ্তরে এসপি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর তাঁকে ছাড়পত্র নেওয়ার আদেশ দেয়া হলেও কাজী মো. ছোয়াইব নির্দেশনা মানেননি। বিষয়টি স্বাভাবিক কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাহত করেছে।

“কাজী স্যার আজ পর্যন্ত দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। অপারেশনাল কার্যক্রমগুলো রহমত উল্লাহ স্যার করছেন। সদর দপ্তর মৌখিকভাবে বলেছেন, ওনার কোনো নির্দেশনা যেন না মানা হয়।”

তিনি ২০ এপ্রিল হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির কাছে চিঠি পাঠিয়ে দায়িত্ব নেন। কিন্তু এক মাস পেরিয়ে গেলেও ময়মনসিংহ কার্যালয়ে বসতে পারেননি রহমত উল্লাহ।

“ভদ্রতার কারণে সেখানে যেতে পারছি না। তিনি আমার জুনিয়র। অনভিপ্রেত পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সে কারণে সেখানে যাচ্ছি না।”

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয়ের অধীনে মোট ১৭৭ জন সদস্য আছেন। কাজী মো. ছোয়াইবকে ৫ এপ্রিল বরিশালে বদলি করা হলেও তিনি আদেশ মানেননি। বদলির সংযুক্তি ও আদেশ দেয়া হলেও তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

রদবদলের সংখ্যা ও পরিস্থিতি

গত ৯ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত ৩২ দিনে কাজী মো. ছোয়াইব ১৬টি চিঠির মাধ্যমে ৭৭ কর্মীকে বদলি করেছেন। তাঁর প্রথম বদলি আদেশের পর ৩৯ জন এবং দ্বিতীয় বদলি আদেশের পর ৩৮ জনকে রদবদল করা হয়েছে।

“ভরাডোবা থেকে শ্যামগঞ্জে নারী কনস্টেবল মিতু আক্তার পাঠানো হয়েছে; কিন্তু ৩০ এপ্রিল আবার তাঁকে আঞ্চলিক সদর দপ্তরে বদলি করা হয়।”

যোগাযোগ করা হলে অতিরিক্ত আইজি মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা বলেন, কাজী মো. ছোয়াইবকে বদলি ও সংযুক্তির আদেশ দেয়া হলেও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। আঞ্চলিক কার্যালয় চালানোর পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হয়েছে।

বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ

রহমত উল্লাহ স্বীকার করেন, কর্মীদের আবেদনের ভিত্তিতে বদলি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “অনেকে নতুন যোগদান করেছেন, অনেকে প্রয়োজন বিবেচনায় বদলির আবেদন করেছিলেন।”

“এ ধরনের বদলিতে পরিবার নিয়ে আমাদের মতো সাধারণ সদস্যরা হ্যারাজের শিকার হন।”

Leave a Comment