ঈদে ক্রেডিট কার্ডে বিশেষ সুবিধা
ঈদ ক র ড ট ক র – আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহারের মৌসুমে দেশের বিপণিবিতানগুলো উৎসবে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তবে এই উৎসবের সামান্য আমেজের সাথে সাধারণ মানুষের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার এক বড় বিপ্লবের পরিচয় দিচ্ছে। প্রায় সব বাজারে পুরো নগদ টাকা নিয়ে কেনাকাটার দিন যাচ্ছে আসেন্দন। শপিং মল থেকে বাটার মতো লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড পর্যন্ত প্রতিটি পরিচালনায় ক্রেডিট কার্ডের দাবিদারুণ গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে। উৎসবে বাড়তি খরচ হ্রাস করতে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের কাছে ক্রেডিট কার্ড এখন শুধু আভিজাত্যের চিহ্ন নয়, বরং সংকটমুক্ত অর্থ পরিচালনার সাধারণ প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সুদবিহীন কিস্তি ও জিরো পারসেন্ট ইএমআই অফার
ঈদে মার্কেটিং সামগ্রিক চাহিদা আসছে আকাশচুম্বী হতে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, পোশাক ছাড়াও গৃহস্থালি পণ্য বা ইলেকট্রনিক সামগ্রি কেনার আকাংখা এখন বেশি। নগদ টাকা ব্যয় করার পরিবর্তে ক্রেডিট কার্ডে সুদবিহীন কিস্তি সুবিধার আকর্ষণে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা স্বাচ্ছন্য অনুভব করছেন। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য কিনে বার্ষিক কিস্তি দ্বারা পরিশোধ করার সুযোগ পাওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রতিশ্রুতি বিস্তৃত হচ্ছে।
লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের সিএমএসএমই ও রিটেইল বিজনেস বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খান প্রথম আলো কে বলেন, আর্থিক সক্ষমতা কমেও ব্যবহারের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কার্ড দিয়ে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের অফার গ্রহণ করে উৎসবে কিনার দুর্দান্ত সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
ঈদ ও বিশ্বকাপ সমাপনে নতুন প্রবণতা ঘটছে। প্রতিটি কার্ড ব্যবহারে বিশেষ রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক এবং কসাই-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। হাটের কাদা-ময়লা পরিবেশ ও ছিনতাই ঝুঁকি এড়াতে অনেকে ঘরে বসে কার্ড দিয়ে কোরবানি বুকিং ও পণ্য কিনতে আসছেন।
লেনদেনের নতুন রেকর্ড
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঈদের মৌসুমে কার্ডভিত্তিক লেনদেনের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্চ ২০২৬ সালে দেশে কার্ডভিত্তিক মোট লেনদেন ছিল ৪৭,৯৯৮.৪৯ কোটি টাকা, যা মার্চে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০,৪৭৮ কোটি টাকায় উন্নত হয়েছে। সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ২৫ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৪।
খাতভিত্তিক চিত্র
এটিএম বুথগুলো থেকে উৎসবে নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে সর্বোচ্চ ৩২ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা উত্তোলন হয়েছে। সিআরএম বিভাগে আধুনিক ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনের
