ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিকে সম্মান জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা
ইর ন য ক তর ষ ট – ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত দূর করার উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপ্রধান। বিশ্বনেতারা এ চুক্তিকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে গ্রহণ করেন।
ইউরোপের চার রাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে
গতকাল রোববার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইতালি একটি যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে তারা ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি স্পষ্টতার সাথে প্রমাণ করলে চুক্তির অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার হবে।
‘ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে তা নিশ্চিত করা হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক পরমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহ সম্মিলিতভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।’
সমঝোতার দিকে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে বিশ্বের বিভিন্ন কূটনীতিক প্রতিনিধি
কাতার, তুরস্ক, জাপান এবং নিউজিল্যান্ড ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেছে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, “আমরা পাকিস্তানকে ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মান জানাই। ভবিষ্যতে আলোচনাগুলোতে ইতিবাচক মনোভাব অনুসরণ করলে সমস্যার সমাধান সহজ হবে।”
জাতিসংঘ প্রত্যাহারের ঘোষণা সমর্থন করেছে
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার ঘোষণাকে মধ্যপ্রাচ্যে সংকট দূর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিকের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে মহাসচিব বিশ্বায়ন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে চুক্তির প্রভাব সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের মতামত
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই চুক্তি ভূমধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তার স্থিতিশীলতা পুনর্গঠনে সহায়তা করবে। আমাদের লক্ষ্য চুক্তিটি গ্রহণ করার পর সমস্ত দেশ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।”
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার ঘোষণার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন। আইএইএ এর মতে চুক্তিটি বিশ্বব্যাপী সংঘাত সমাপ্ত করার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত পদক্ষেপ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
আফ্রিকা এবং এশিয়া কূটনীতিকদের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা
আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্ত
