ইরান নিয়ে ওয়াশিংটন কেন বারবার ধাক্কা খাচ্ছে
ইর ন ন য় ওয় শ টন – আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি বর্তমানে কোনো পুরোনো মূলনীতির কাছে পৌঁছে গেছে। যে ধারণা বলে আপনি যথেষ্ট শক্তিশালী হলে বাস্তবতাকে নিজের ইচ্ছেমতো বাঁকাতে পারবেন এই ধারণাই তাদের প্রবৃদ্ধির মূল কারণ। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই বিশ্বাসকে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে পরিণত করেছিল বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে।
এই কৌশল প্রকৃতপক্ষে একটি উচ্চঝুঁকির জুয়া নয়; বরং এটি এমন একটি উপায় যে সামরিক শক্তিকে ভুল ভাবে নির্ধারণ করে। আমেরিকা ধরে নিয়েছে যে যথেষ্ট চাপ দেওয়ার পর ইরান শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবে, কিন্তু তাদের এই বিশ্বাস মূলত ভুল।
প্রায় সব বিষয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা
অর্থনৈতিক যুদ্ধ দ্বারা সেই দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার আক্রমণ প্রসারিত হয়েছে। সেই পদ্ধতিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ভূমিকা নিয়ে লক্ষ্য করা হচ্ছে। কিন্তু ইরান কোনো দুর্বল শাসনব্যবস্থা নয়; এটি স্থিতিস্থাপক ও সামরিক ধারণার বিরুদ্ধে আক্রমণ করতে প্রস্তুত।
ট্রাম্প প্রশাসন বলছে তারা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চায় না, অথচ তারা যা করছে তার সবই যুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে।
ইরানের ক্ষেত্রে প্রতিটি নতুন চাপের ধাপই শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে প্রিয় বয়ানটিকে আরও শক্তিশালী করে। তারা বিদেশি দাদাগিরির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে ব্যবস্থাটিকে দুর্বল করার বদলে এই কৌশল উল্টো সেই শক্তিগুলোকেই আরও মজবুত করছে, যেগুলোকে এটি ভাঙতে চায়।
আরব দেশগুলো নিরাপত্তার নামে যেভাবে প্রতারিত হয়েছে সেটি আসলে সেই পুরোনো মানসিকতার ফল। যে ধারণা মনে করে শক্তিই সবকিছুর বৈধতা দেয় এই ধারণাই আসলে উল্টো ফল দেয়।
তাহলে সফলতা আসলে দেখতে কেমন? যদি লক্ষ্য হয় ইরানের আচরণ পুরোপুরি বদলে দেওয়া, তাহলে এই কৌশল সেখানে পৌঁছাতে পারবে না। আর যদি লক্ষ্য শুধু তাদের আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা হয়, তাহলে শর্তগুলোকে বাস্তবসম্মত হতে হবে।
উপেক্ষা করে কীভাবে বৈধতা, স্থানীয় বাস্তবতা এবং জাতীয় গর্ব আসলে ফলাফল নির্ধারণ করে। ইরান এমন কোনো দুর্বল শাসনব্যবস্থা নয়, যা ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। কয়েক দশক ধরে দেশটি চাপের মধ্যে টিকে থাকতে শিখেছে—জোট গড়ে তুলে, প্রক্সি নেট
