আসিফ মাহমুদ: অন্তর্বর্তী সরকারে কিচেন কেবিনেট ছিল
আস ফ ম হম দ এর উল্লেখ করেছিলেন যে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারে কিচেন কেবিনেট গঠনের প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল। এই ঘোষণার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করেছিল কারণ সেই সরকারের পরিচালনা পদ্ধতি একটি বিশেষ বিতর্কের মূল হতে পারে। আসিফ মাহমুদ ও সজীব ভুঁইয়া এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করেন যখন তারা একটি সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে সেই সরকারে কিচেন কেবিনেট ছিল এবং তাঁর নাম এর মধ্যে ছিল না। এই তথ্য প্রকাশের পর থেকে এটি বিশ্লেষণের জন্য আলোচিত হচ্ছে যে কিচেন কেবিনেটের গঠন কী কী সমস্যা সমাধানের জন্য চালু হয়েছিল।
অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেট নিয়ে আলোচনা চলছে
আস ফ ম হম দ এর প্রকাশ্য বিবরণ অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারে কিচেন কেবিনেটের সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয় যখন তারা সরকারের স্থায়ী প্রতিনিধিদের পরিবর্তে মুখ্য কাজগুলি গ্রহণ করে। কিচেন কেবিনেট এর সংগঠনের কারণ হতে পারে একটি ক্ষুদ্র সংখ্যক মন্ত্রী এবং সহকারী মন্ত্রী কে বিশেষ ভূমিকা পালন করার জন্য। তার মন্তব্য অনুসারে, কেবিনেটের সদস্যদের নাম নির্ধারণ করা হয় যেহেতু সেই সরকার আগে থেকে অনেক বিতর্কের মুখে ছিল। এটি একটি নতুন বিষয় তৈরি করেছিল যে কিচেন কেবিনেটের মধ্যে আসিফ মাহমুদ কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “আস ফ ম হম দ এর সরকারে কিচেন কেবিনেট ছিল, কিন্তু আমি তার সদস্য ছিল না। সেই সরকার যে কিচেন কেবিনেট চালু করেছিল তা প্রকাশ করেছিল এবং এর মধ্যে আমার নাম ছিল না।”
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য
অন্য পক্ষে, প্রাক্তন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে কিচেন কেবিনেট নিয়ে বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন যে সেই কেবিনেট দ্বারা সরকারের প্রধান কাজগুলি একটি নিরপেক্ষ দল দ্বারা পরিচালিত হয়। কিচেন কেবিনেট সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল যেহেতু এটি সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হয়েছিল। এর সদস্যদের নাম প্রকাশ করে এটি বিশেষ গুরুত্ব পায় কারণ কেবিনেট কর্মকর্তাদের সরকার পরিচালনার জন্য বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করে।
গঠন প্রক্রিয়া এবং তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ
আস ফ ম হম দ এর ঘোষণা অনুসারে, কিচেন কেবিনেট এর গঠন একটি সরাসরি মন্ত্রিসভা ছিল যেখানে সরকারের প্রতিনিধিদের সংখ্যা সীমিত ছিল। এই কেবিনেট প্রতিনিধিদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ কিনা তা নিয়ে একটি প্রশ্ন তুলে আসে। এটি অর্থ হয় যে কেবিনেট এর স্থাপন কী কী চাল
