‘আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল যত দিন, পতাকার ব্যবসা তত দিন’
তামিম বাদশার পতাকা বিক্রি করার অভিজ্ঞতা
আর জ ন ট ন ব র – বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে পতাকা বিক্রির জন্য ঢাকায় এসেছেন একাধিক ব্যক্তি। হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় অনুষ্ঠান শেষে একাদশ শ্রেণীতে পড়েন তামিম বাদশা। দুই দিন আগে তাঁর দুই ভাই ঢাকায় এসেছেন, উদ্দেশ্য বিশ্বকাপ সময় বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি। মঙ্গলবার বিকেলে শাহবাগ মোড়ে তামিমের সঙ্গে কথা হয়। তাঁর গায়ে জড়িয়েছে ব্রাজিলের হলুদ জার্সি, তাঁর হাতে বাঁশের লম্বা লাঠিতে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও জার্মানির পতাকা ঝুলছে। কাঁধে বিভিন্ন দেশের শখানেক পতাকা ঝোলানো আছে।
তামিম জানান, পরিবারের অবস্থা বেশি ভালো না। বাবার ভাঙারির ব্যবসা। আয় হবে তার দ্বারা সংসার চলে না। তাই পড়াশোনার ফাঁকে ঢাকায় এসে পতাকা বিক্রি করছি। কয়েক দিন আয়ে চলতে পারি।
তামিমের মামা মুসা তালুকদার ফার্মগেটে জামাকাপড় ও শিশুদের খেলনা বিক্রি করেন। তিনি মামার পরামর্শে দুই ভাই ঢাকায় এসেছেন। এ দুই দল যত দিন থাকবে বিক্রি তত দিন চলবে। তাই আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল যত দিন বিশ্বকাপে খেলবে তামিম তাঁর আশা। গতকাল দুপুরে তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসেছেন এবং শাহবাগ মোড়ে চলে এসেছেন।
লিটন মিয়ার পতাকা বিক্রি করার মাস্টারপ্ল্যান
২০১৮ সালের বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঢাকায় পতাকা বিক্রি করছিলেন লিটন মিয়া। তিনি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে ঢাকায় আসেন। গতকাল দুপুরে ধানমন্ডির সড়কে তাঁর সঙ্গে কথা হয়। তিনি রায়েরবাজারে চাচাতো ভাইয়ের বাসায় উঠেছেন যে তিনি গোপালগঞ্জের পতাকা বিক্রেতারা একে অপরের পরিচিত। সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করেন।
লিটন মিয়া বলেন, সারা বছর পতাকা ব্যবসা ভালো চলে না। ডিসেম্বর মাসে কিছু পতাকা বিক্রি হয়। বিশ্বকাপের সময় চলে। এটিএম বুথের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে মাসে আট হাজার টাকা বেতন পান। এতে সংসার চলে না। তাই বাড়তি উপার্জনের জন্য ভ্রাম্যমাণ দোকান দিয়েছেন।
আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাক
