অনলাইন পশুর হাট বদলে গেছে ডিজিটাল প্রচার ও সরাসরি বিক্রির মডেলে
অনল ইন পশ র হ ট এখন – ঈদের সময় কোরবানি পশু কিনতে আর সবার হাটে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। ক্রেতারা ফেসবুকে পশুর ছবি-ভিডিও দেখে দর নির্ধারণ করে খামারে সরাসরি গিয়ে কিনছেন। করোনার সময় প্রথম আলো থেকে সরাসরি বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হয়। আবার এখন অনলাইনে প্রচার করে ক্রেতারা অনেক সময় খামারে গিয়ে পশু দেখে কিনছেন।
ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানের অভিজ্ঞতা
ফেসবুক পেজে পশু দেখে খামারে আসা ক্রেতার সংখ্যা বেশি হয়েছে। এটি দ্বারা তিনি বলেন, ‘হাটের ভিড় আর দর-কষাকষির ঝামেলা এড়াতেই খামার থেকে কিনছি। কিন্তু পরে যাচাই করতে হয় খামারে গিয়ে।’ তিনি কয়েক বছর ধরে হাটে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না।
অনলাইন পশু বিক্রি উদ্যোগটি প্রারম্ভ হয় ২০২০ সালে। সেই সময় ঢাকার নিয়ামত শুকরিয়া ক্যাটেল ফার্মে কাজ করছেন মিনহাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অনলাইনে প্রচার করি, কিন্তু বিক্রি সামনাসামনি হয়। পরিচিত ক্রেতার মাধ্যমে নতুন ক্রেতা আসছে।’ তিনি হোম ডেলিভারি পর্যন্ত বিনা মূল্যে সরবরাহ করেন। অনলাইন পশু বিক্রির পর গরু খাবার দিয়ে তার অভ্যস্ত খাবারও দেন।
সরকারি উদ্যোগ না থাকলেও বেসরকারি পর্যায়ে অনলাইন পশু বিক্রি চলছে। ২০২৪ সালে সারা দেশে ৫ লাখ ৫ হাজার ৪৯৪টি পশু বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কমে গেছে। এটুআইয়ের একশপ উদ্যোগ বন্ধ হওয়ার পর ডিজিটাল হাট কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
অনলাইন বাজারে নতুন সুযোগ
আল আমিন হোসেন বলেন, ‘ফেসবুক পেজ দেখে ক্রেতারা খামারে আসে। আবার পরিচিত ক্রেতাদের মাধ্যমে নতুন গ্রাহক আসছে।’ গাজীপুরে তিনি নিজের পালন করা গরু বিক্রি করছেন। হাটে নিলে পাগলামি করার ভয় থাকায় সেটি না নিলে কেন ক্রেতারা বিক্রি করছেন তিনি বলেন।
অনলাইন পশু বিক্রি হাট এখন ভিডিও কল ও গ্রুপ মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। ‘গরুর বাজার’ গ্রুপে প্রায় চার লাখ সদস্য রয়েছে। বিভিন্ন খামারের ক্রেতারা সেখানে পশু দেখে কেনাবেচা করছেন। কিন্তু বিক্রেতার সংখ্যা ক্রেতার তুলনায় বেশি।
ভাগে কোরবানির সুবিধা প্রকাশ
ঢাকায় কোরবানি অংশীদার খুঁজতে ঝামেলা হয়। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান সেই সমস্যার সমাধান দিচ্ছে। গরুকে সাত ভাগে ভাগ করে অনলাইনে বুকিং করা হয়। ভাগের দাম গরুর আকার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। সেবাটি ঝামেলামুক্ত। ঈদের দিন �
