ম হম ন: হজের প্রতীক্ষা এবং গ্রামের মানুষের আসল জীবন
গ্রামের মানুষ এবং তাদের জীবন
ম হম ন গ্রামে তিন বন্ধু একত্র থাকে। গ্রামের নাম ধলেশ্বরীপুর। এই তিন মানুষের প্রতীক্ষা রয়েছে সম্ভবত সবাই জানে। আবদুল হাকিম, রাশেদ আর গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক করিমউদ্দিন। আবদুল হাকিম বয়স্ক কৃষক হিসেবে পরিচিত। সব সময় হাসি মাখা মুখে তিনি একটি বিশেষ আবেগ বহন করেন। গ্রামে কেউ যখন নতুন হয়ে আসেন, তখন তিনি হাকিম ভাই হিসেবে তাদের পরিচয় দেন।
রাশেদ এই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কয়েক বছর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন এবং এখন আন্তর্জাতিক কীটনাশক কোম্পানির স্থানীয় প্রতিনিধি। ম হম ন গ্রামে তাঁর জীবনে একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাঁর হাসি এবং মুখের প্রকৃতি আবেগে পূর্ণ মানুষকে পরিচিত করে দেয় তাঁর আন্তরিকতার প্রমাণ।
আবেগে পূর্ণ এক দিন গ্রামের মসজিদে ঘোষণা করা হয়। হজের নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আবদুল হাকিম বলেন, “আমার মুখে হাসি যায় না। কিন্তু যখন ম হম ন গ্রামের মানুষ সবাই সম্ভব হাজির দিকে সাড়া দেয়, তখন আমার মন উঠে আসে।” রাশেদ এই ঘোষণার প্রতি ভাবে ওঠে। হাজির সাফল্যের জন্য তিনি নিজেকে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে সাদর করে গ্রহণ করেন।
ম হম ন গ্রামের বৃদ্ধ করিমউদ্দিন বলেন, “আমার বয়স হয়েছে। হাঁটতে কষ্ট হয়। কিন্তু ম হম ন গ্রামের কোনও ব্যক্তি হাজির জন্য ত্যাগ করে না।” তাঁর কথার ব্যবধানে তিনজনের মনে হয় সম্ভবত সবাই হাজির দিকে এগিয়ে আসছে। গ্রামের এই গোপন পরিবেশে এখন হজের প্রতীক্ষার আবেগ বিস্ময়ের সমান।
আবদুল হাকিম ম হম ন গ্রামে জানায়, “এই মুহূর্তে আমরা সবাই সমান। ধনী আর গরিব, বড় আর ছোট সবাই একই সুখ আর দুঃখের প্রতীক্ষায় রয়েছে।”
হজের সাফল্য সম্পর্কে গ্রামের মানুষ অপেক্ষা করে। ম হম ন গ্রামে নিবন্ধন শুরু হয়েছে। বিমান আকাশে উঠতেই তিনজনের হৃদয় ভরে গেল অদ্ভুত শান্তিতে। মক্কায় পৌঁছে তারা পবিত্র কাবা শরীফকে লক্ষ্য করে সেখানে প্রবেশ করে। কিং আবদুল আজিজ গেট দিয়ে তারা হাজির দিকে সাড়া দেয় যখন পবিত্র তালবিয়া পড়ে ওঠে। ম হম ন গ্রামের মানুষ তখন ম
