Uncategorized

অনলাইন ‘গেম’ কি কিশোরদের নিষিদ্ধ জুয়ায় টানছে

দ্ধ জুয়া হিসেবে টানছে কি? অনল ইন গ ম ক ক শ - আধুনিক গেম কম্পানিগুলো তাদের খেলার মডেল দ্বারা কিশোরদের বেশ কয়েকটি গুরুতর পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে। নামের

Desk Uncategorized
Published July 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

অনলাইন গেম কিশোরদের নিষিদ্ধ জুয়া হিসেবে টানছে কি?

অনল ইন গ ম ক ক শ – আধুনিক গেম কম্পানিগুলো তাদের খেলার মডেল দ্বারা কিশোরদের বেশ কয়েকটি গুরুতর পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে। নামের অর্থে নিষিদ্ধ জুয়া হিসেবে বিবেচনা করা যায় কি? এ বিষয়ে ইসলামি ধর্ম সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন নবীজি (সা.) যার সম্পর্কে আলোচনা চলছে বর্তমানে।

গেমের নির্মাণ ও স্বাদ প্রদান

বর্তমানে কিশোরদের মধ্যে খেলা যায় বেশির ভাগ গেম মোবাইলের স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়। তাদের বিনা মূল্যে খেলার সুবিধা রয়েছে, কিন্তু ক্যারেক্টারের পোশাক বা বিশেষ অস্ত্র পেতে টাকা দিতে হয়। বাক্স খুলতে হয় ৫০০ টাকা, যার ভেতরে কী মিলবে বা না মিলবে তা অজানা। কাঙ্ক্ষিত বস্তু না মিললে আরও পুনরায় সেই পরিমাণ টাকা খরচ করতে হবে। অনুমান করা যায় না কত টাকা দিয়ে সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ রূপে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

খেলার পদ্ধতি সব সময় খেলোয়াড়দের টাকা কেড়ে নিয়ে আসে। ইন-গেম পারচেজের মাধ্যমে গেমে স্বাদ প্রদান করা হয় যেন নিষিদ্ধ জুয়া মাধ্যমে কী করা যায়। মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে এই পদ্ধতি বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডস কিশোরদের প্রতিযোগিতার আগে থাকে না।

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ

ইসলাম বিনোদন নিষিদ্ধ করেনি, কিন্তু সময় ও অর্থ দুটিকে আমানত হিসেবে দেখে। কোরআন অপব্যয়ের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ কঠোর মন্তব্য করেছে।

নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই।

(সুরা ইসরা, আয়াত: ২৭) এবং আরেকটি আয়াত দ্বারা বলা হয়েছে,

তারা অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকে।

(সুরা মুমিনুন, আয়াত: ৩)।

নবীজি (সা.) বলেছেন,

দুটি নেয়ামতের ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষ গাফেল—সুস্থতা ও অবসর সময়।

(সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪১২)। গেমে ভার্চ্যুয়াল পোশাকের জন্য সেই পরিমাণ টাকা খরচ করার বিষয়টি সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট বিবে

Leave a Comment