পড়াশোনার খরচ জোগাতে ইনফ্লুয়েন্সার হয়েছেন আয়না
পড় শ ন র খরচ জ গ – বাংলাদেশের একটি দূরপর গ্রামে বসবাস করে আয়না পড়াশোনার খরচ আয়াম করার জন্য ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। যে কোনও সাধারণ ব্যক্তি যদি সামাজিক মাধ্যমে প্রতিদিন একটি ভিডিও প্রকাশ করতে চায়, তবে তার জন্য কী প্রয়োজন হয় সেটি কেউ কেউ ভেবে দেখে থাকেন। আয়না তার গ্রামে অবস্থিত যেখানে ইন্টারনেট সুবিধা নেই, কিন্তু তার বাবা মায়ের কাছে সাহায্য পেয়ে নিজেকে প্রতিদিন গৃহপালনের পর অনুপ্রাণিত করতে হয়। তার স্বপ্ন ছিল নিজের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা এবং পড়াশোনার সম্ভাবনা আরও বেশি করা।
আয়নার সংগ্রাম এবং নতুন দিশা
আয়না গ্রামে স্থাপন করা হয়েছে নিজের কৌশল দ্বারা সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন। তার প্রথম ভিডিওটি ছিল কিছু সাধারণ পরিবারের সাথে নিজের পরিবেশ নিয়ে প্রকাশিত একটি দৃশ্য। তার পরিবার তার প্রথম আঁকন সম্পর্কে কিছু সন্দেহ করেছিল, কিন্তু সময় আসতে আয়নার সফলতা গৃহীত হয়েছে। তার ভিডিওগুলি অনেকটা দুর্দশা ছাড়া সম্প্রসারণ করে গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে নিজের বিজ্ঞাপন করা হয়। তার চারপাশে যারা নিজের গৃহপালনে সময় পায় না, তারা তার ভিডিও দেখে অনেক কাছাকাছি জানতে চায়। আয়নার প্রতিটি ভিডিও নির্মাণে তার প্রায় দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করে। এটি তার নিজের কথা শুনে যারা সময় ব্যয় করতে পারে না তাদের জন্য একটি কর্মসূচি।
বাঁকা পথে সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহার
আয়নার সামাজিক মাধ্যমে প্রতিদিন গৃহপালনের পর প্রকাশ করা হয় না ভিডিওগুলি। তার প্রতিটি সিদ্ধান্ত হয় নিজের জন্য দুর্দশা না হয়ে বাঁচানোর জন্য। এটি তার পরিবারের জন্য সম্ভাবনা নিশ্চিত করে এবং সমাজে তার সংস্পর্শের প্রসার ঘটে। তার চারপাশে যারা নিজের পড়াশোনার জন্য অর্থ জুটে না, তাদের জন্য আয়নার চেষ্টা হয়ে থাকে। তার প্রথম ভিডিওটি ছিল একটি মুখোমুখি আলোচনা যেখানে তার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হয়। তার বাবা মায়ে তার পরিচিতি দেখে তার দিকে ভরসা করেছিলেন।
“আমার গ্রামে ইন্টারনেট নেই, কিন্তু আমি বাইরে প্রতিদিন কর্মসূচি করতে চাই। নিজের জন্য আয়াম করা আমার স্বপ্ন।”
যারা তার ভিডিও দেখে তাদের জন্য একটি বিজ্ঞাপন চালানো হয়। তার বাপের জন্য একটি কর্মসূচি হয়েছে কিছু গ্রামে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওগ�
