তারা আমাকে মেরে ফেলতে পারে, আমি তাদের প্রতিটি তালিকায়
ত র আম ক ম র ফ – ইরানের হাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার জন্য নতুন পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে এবং তা ইসরায়েলের সাথে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। সিএনএন এর দুটি সূত্র এ তথ্য স্থাপন করেছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলাকালীন এ খবর উত্তেজনা বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনটি স্থাপন করেছে যে ইসরায়েল থেকে প্রাপ্ত সতর্কবার্তার কথা যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ যাচাই করেনি।
ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো উল্লেখ করেছে যে তারা আমাকে নেতার পদ থেকে সরিয়ে ফেলতে চায়। আমি যেকোনো তালিকায় রয়েছি। গত বুধবার তিনি বলেন, “তাদের প্রতিটি তালিকায় আমার নাম রয়েছে। আমি এখন কিছুটা ভাগ্যবান, কিন্তু ভাগ্য সবসময় সহায় হতে পারে।”
“এরা অত্যন্ত দুষ্ট ও মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষ। আমাদের এই ক্যানসার উপড়ে ফেলতে হবে। ক্যানসার হলে কী করতে হয়? একদম শুরুতেই ক্যানসার কেটে ফেলে দিতে হয়। আমি ঠিক এটিই অনুভব করছি।”
তবে ট্রাম্পের প্রতিবেদনে ইসরায়েলের নতুন গোয়েন্দা তথ্যের প্রতি অবস্থান নির্ভর করে না। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি আর বৈধতা হারিয়েছে। দুই পক্ষই পরস্পরকে হুমকি দিচ্ছে এবং হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
পরিচিত সূত্র জানিয়েছে যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের ক্ষমতার সম্পূর্ণ ক্ষমতা চুরি করার চেষ্টা করছে। ইরানের বর্তমান ও সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিশানা করার সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিদিন অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে গোয়েন্দা মহল।
২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ড্রোন হামলায় নিহত হন। মার্কিন সরকার দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছে যে ইরান প্রতিশোধ নিতে আমাকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে।
গত সপ্তাহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে সমবেত জনতা ট্রাম্পের মৃত্যু কামনা করে স্লোগান দিয়েছে। যুদ্ধের শুরুতেই নিহত হয়েছিলেন খামেনি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর ফোনে আলোচনা হয়েছে। উভয়
