Uncategorized

বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার পাপ ও তার শাস্তি

বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার পাপ ও তার শাস্তি ব জ র ক ত র ম - মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আপেক্ষিক গুরুত্ব অর্জন করে। কোনো

Desk Uncategorized
Published July 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করার পাপ ও তার শাস্তি

ব জ র ক ত র ম – মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য আপেক্ষিক গুরুত্ব অর্জন করে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাজারে অপরিচিত বিপাক সৃষ্টি করার জন্য খাদ্য বা জরুরি পণ্য লুকিয়ে রেখে অধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে তা প্রস্তুত করে থাকলে তাকে মজুতদার বলা হয়।

ইসলাম ব্যবসার প্রতি সম্মান জন্ম দিয়েছে, কিন্তু মানুষের কষ্টের কারণে অপরাধী মুনাফা সৃষ্টি করে অবিচারিত লাভ পাওয়া হয়। ব্যবসার মূল উদ্দেশ্য মানুষের কল্যাণ হওয়া বলে মজুতদারি তার বিপরীত কর্ম। যে ব্যক্তি অপেক্ষাকৃত মুনাফার আশায় মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আটকে রেখে মূল্যবৃদ্ধির অপেক্ষা করে তিনি পাপী বলে গণ্য হয়।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মজুতদারি করে, সে পাপী।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬০৫)

মজুতদারির পার্থিব শাস্তি হলো সময়ের জন্য অর্জিত বেশি মুনাফা, কিন্তু এর দুর্দশা দুনিয়াতেও ভোগ করতে পারে। ওমর (রা.) শাসনামলে এক দাস নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত করত। তিনি তাকে নিষেধ করেন, কিন্তু সে তা মানেনি। ফলে তার গায়ে কুষ্ঠরোগ দেখা দেয়। (তাকি উসমানি, তাকমিলা ফাতহুল মুলহিম, ৭/৬০৮)

ইসলাম কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে, কিন্তু মজুতদার সমাজের দুর্বল মানুষের আঘাত সৃষ্টি করে। মানুষের কষ্টকে দীর্ঘায়িত করার জন্য নিজের লাভ প্রাপ্তি জন্য তিনি কার্যকরী করে যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘খাদ্যপণ্য মজুতকারী অভিশপ্ত।’ (ইবনে হাজার আসকালানি, ফাতহুল বারি, ৭/১২২)

মজুতদার কৃপণতা ও লোভের কাছে আত্মসমর্পণ করে। তার হৃদয়ে মানুষের প্রতি সহানুভূতি কমে যায়। এ জন্য নবী (সা.) তাকে নিন্দা ও ভর্ৎসনা করেছিলেন। সম্পদের বরকত অপেক্ষা দুনিয়ার লোভ আত্মিক অধঃপতনের মূল হয়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পার্থিব মোহ সমস্ত পাপের মূল।’ (বাইহাকি, শুআবুল ইমান, হাদিস: ১০৫০১)

হারাম উপায়ে সংগ্রহ করা সম্পদের বরকত থাকে না। কোরআনে লিখা হয়েছে, ‘আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বৃদ্ধি করেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৬) এ আয়াতের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সুদের সম্পদ মালিকের হাতছাড়া হয়ে যায়। বিপুল সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা মানুষের সম্পূর্ণ কল্যাণ প্রদান করে না।

তফসিরে ইবনে কাসির, ১/৫৮০, দারুল কিতাব আল-আরবি, বৈরুত, ২০১১ এর �

Leave a Comment