চট্টগ্রাম বন্দরে সব টার্মিনাল চালু হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিং অর্ধেক হতে পারে
সব ট র ম ন ল চ – নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান যে চট্টগ্রাম বন্দরে সব টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গ চালু হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সময় অর্ধেক হতে পারে। তিনি জানান যে বর্তমানে গড়ে প্রতিটি কনটেইনারের হ্যান্ডলিংয়ে প্রায় ২.১ দিন ব্যয়িত হয়, যা চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বাস করে যে সব টার্মিনাল চালু হলে এটি অর্ধেক হতে পারে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, এ প্রকল্প গৃহীত হয়েছে এবং বিদেশি অপারেটরদের মাধ্যমে বন্দরের চালুকারণ প্রক্রিয়া চলছে।
বর্তমান চালুকারণ অবস্থা ও সমস্যা
বুধবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি জানতে চান যে গত ২০২৪-২৫ সালে বন্দরে গড় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কত ছিল। রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর একটি ফিডার পোর্ট হওয়ায় কাস্টমস পরীক্ষা ও ক্লিয়ারেন্সের জন্য সময় ব্যয়িত হয়। এ কারণে ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের তুলনায় সময় বেশি হয়।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর। সেখানে বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে স্থানান্তর করা হয়, ফলে কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয় না। এ কারণে সব টার্মিনাল চালু হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের প্রগতি ও অপারেটরদের ভূমিকা
সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান রবিউল আলম। তিনি আরও বলেন যে লালদিয়া টার্মিনাল উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে চালু করার প্রস্তুতি চলছে। সব টার্মিনাল চালু হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সময় কমানোর লক্ষ্যে বে টার্মিনাল পরিচালনার জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বে টার্মিনাল-২ নিয়ে ডিপিওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং বে টার্মিনাল-৩ নিয়ে সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সব টার্মিনাল চালু হলে বন্দরে প্রতিটি কনটেইনারের প্রক্রিয়া প্রায় দ্বিতীয় দিন থেকে এক দিনের মধ্যে সমাপ্ত হতে পারে। এ সম্পর্কে মন্ত্রী তীব্র প্রতিক্রিয়া �
