বেক্সিমকো শেয়ারে দীর্ঘদিন পর দাম বৃদ্ধির চূড়ান্ত উঠে আসে
ব ক স মক আব র ল – বেক্সিমকোর শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ রোববার লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। কোম্পানিটির শেয়ারের বিক্রি হয় ১০৬ কোটি টাকার সমমূল্যে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৮ শতাংশ। এ ছাড়া এদিন প্রতি শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বা ২ টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ২০ পয়সায়।
ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর দামে গুরুতর পরিবর্তন
৯ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বেক্সিমকোর শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একই দিন ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের ফ্লোর প্রাইসও বৃদ্ধি করা হয়। ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণের পর ঘটেছে কমপক্ষে ১৩ কার্যদিবস পর্যন্ত দাম কমে আসার প্রক্রিয়া। সেই সময় প্রতি শেয়ারের দাম ৭৪ শতাংশ বা ৮১ টাকা ২০ পয়সা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৪০ পয়সায়।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১১০ থেকে ২৮ টাকায় কমে আসার পর বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। তাই লেনদেন শুরুর পর এটির শেয়ারে ব্যাপক ক্রয় বৃদ্ধি হয়।
আজ দিনে বেক্সিমকোর শেয়ারে বিক্রি হয় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সমমূল্যে, যা ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেনের সাথে মিলে যায়। ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা, যা এখনও কোম্পানিটির সার্বিক ব্যবসায়িক অবস্থা ও আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর দাম সমন্বয়ের জন্য আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
গ্রুপের অন্যান্য কোম্পানির প্রতিবেদনে বৃদ্ধি ঘটেছে
বেক্সিমকো গ্রুপের অন্যান্য শেয়ারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার দাম ২ শতাংশ বা ২ টাকা ৮০ পয়সা বেড়েছে। সিরামিকসের শেয়ার দাম ৩ শতাংশ বা ৭০ পয়সা বৃদ্ধি পায়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, তিনটি কোম্পানির সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৪৪ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১০ শতাংশের বেশি।
আজ দিনে ডিএসইএক্স সূচক দিন শেষে ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭২০ পয়েন্টে। গত ২১ মাসে এটি সর্বোচ্চ পয়েন্ট হিসেবে চূড়ান্ত মূল্য পেয়েছে। পূর্বে সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
