লাথি মেরে মায়ের দাঁত ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষক ছেলে গ্রেপ্তার
ল থ ম র ম য় র – সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলামকে। অভিযোগ উপস্থাপন করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বৃদ্ধ মায়ের বিরুদ্ধে করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে পারিবারিক বিরোধের ফলে তিনি তাঁর মা আনোয়ারা বেগমের মুখে লাথি মারেন।
অভিযোগ অনুসারে, লাথি মারার ফলে বৃদ্ধ মায়ের একটি দাঁত ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পুলিশ পরিদর্শক মো. পিয়ার উদ্দিন জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে আজ রোববার সকালে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, বৃদ্ধ আনোয়ারা বেগম শুক্রবার রাতে ভর্তি হন। আঘাতে তাঁর একটি দাঁত ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। এখন তিনি সুস্থ আছেন।
মামলার পর থেকে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রোববার সকালে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী বৃদ্ধ মায়ের সাথে দুর্ব্যবহার করে আসছিলেন।
মামলার এজাহারে আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বড় ছেলে মনিরুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে তুচ্ছ বিষয়ে কথা–কাটাকাটির সময়ে মনিরুল ইসলাম তাঁর মুখে লাথি মারেন। এতে একটি দাঁত ভেঙে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন।
মামলায় বাদী হয়ে আনোয়ারা বেগম তাঁর স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মনিরুল ইসলামকে এবং তাঁর স্ত্রীকে অভিযুক্ত বিবেচনা করা হয়েছে। পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চালাচ্ছে।
