ভেনেজুয়েলায় দুই মহাভূমিকম্প বিপর্যয়ের সৃষ্টি করেছে
ম ত য ১৪০০ ছ ড় ল – গত বুধবার সন্ধ্যায় ভূমিকম্পের আঘাত প্রাপ্ত রাজধানী কারাকাস ও তার আশপাশে ঘটনার পর প্রতিদিন বিশেষ জোরে উদ্ধার কাজ চলছে। উদ্ধারকারীদের সমাপ্তি না ঘটার জন্য কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষ ধ্বংসস্তূপের ভিতর সাহায্য করছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখনও মোট আট হাজার ত্রিশ জন লোক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ে আছেন।
প্রথম ভূমিকম্পে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৩০ জন এবং আহত হয়েছে ৩ হাজার ২৩৮ জন। পরবর্তী শুক্রবার আবার একটি আঘাত হানা ভূমিকম্প আঘাত হানা করে। এই ভূকম্পন রাজধানী কারাকাস এবং কাছাকাছি মারাকাই শহরে অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের সাথে সাথে একটি ভবন ভেঙে কংক্রিট এবং রডের স্তূপে পরিণত হয়েছে।
উদ্ধার কাজে বিশেষ কঠিনতা
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ কার্যক্রম ধীর গতিতে চলছে। লা গুইরা রাজ্যে ভারী যন্ত্রপাতি অভাব এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সীমিত উপস্থিতির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজের উদ্যোগে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন। অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ পুনরুদ্ধারের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন এবং আট বজে রাস্তার সাথে সাথে সব গুলি বন্ধ করে দিয়েছেন।
“আটকে পড়া মানুষকে জীবিত উদ্ধার করতে পেরেছে স্থানীয় মানুষ। কংক্রিটের স্ল্যাবগুলো সরানোর জন্য আমাদের ক্রেন দরকার। ভেতরে এখনও মানুষ আটকে আছেন।” – জেনিফার পালাসিওস
আঘাতের মূল্য নির্ধারণ
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই দুই ভূমিকম্পে প্রায় ৬৭০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি ছিল এক শতাব্দীর বেশি সময়ের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূকম্পন।
ভেনেজুয়েলার তেলমন্ত্রী পলা হেনাও বলেন, ভূমিকম্পে দেশের তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দেন তিনি। তেল খাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে শিল্প ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়নি।
গত জানুয়ারিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো অবসান করে দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ ক্ষমতায় অবতরণ করেছেন। তিনি বিপর্যয় দেখা মানুষদের জন্য বড় ধরনের ত্রাণ বিতরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক থাকা কিছু দেশ ও প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ধারকারীদের সহায়তা জোগাচ্ছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার থেকে বিদেশি উদ্ধার
