Uncategorized

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় চাপে যুদ্ধবিরতি

হরমুজ প্রণালি হামলায় চাপে পড়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইর ন ও য ক তর ষ - আমেরিকার সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা এবং একে অপরকে দোষারোপের কারণে দুই দেশের নাজুক

Desk Uncategorized
Published June 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হরমুজ প্রণালি হামলায় চাপে পড়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি

ইর ন ও য ক তর ষ – আমেরিকার সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা এবং একে অপরকে দোষারোপের কারণে দুই দেশের নাজুক যুদ্ধবিরতি আবার চাপে পড়েছে। গতকাল শনিবার হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত হামলার পর উত্তেজনা আবার জাগে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার ও উপকূলীয় রাডার উপর হামলা চালিয়েছে বলে জানায়।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইরান নৌপথ ছাড়া অন্য প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলে কিছু জাহাজে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করে। তাদের নিশ্চিত করে দেওয়া হয়েছে যে হরমুজ দিয়ে নৌ চলাচল অবরুদ্ধ হওয়ার পর তেলের দাম যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে। তবে বিশ্লেষকেরা জানায় বাজার পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা জাতিসংঘ সনদ ও দুই দেশের সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘নির্বোধের মতো লঙ্ঘন’ বলে মন্তব্য করেন। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভ্যান্স লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি মেনে চলছে। তবে ইরান আবার হামলা চালালে তার জবাব দেওয়া হবে।

উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু ইরান বলছে, জাহাজগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তর দিকের নৌপথ ব্যবহার করুক। তেহরান জোর দিয়ে বলছে, ৬০ দিনের অন্তর্বর্তী সময়ের পর ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজে নৌ চলাচলের জন্য নতুন ব্যবস্থা চালু করা হবে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির আগে বিস্তৃত আলোচনার ভিত্তি হিসেবে করা হয়েছে। তবে অনেকে মনে করেন এই চুক্তি টিকবে না। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে জাহাজগুলো ওমান উপকূলঘেষা দক্ষিণ নৌপথ ব্যবহার করুক। অন্যদিকে তেহরান নির্দেশ দিয়েছে �

Leave a Comment