বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী জার্মানি
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রূপে নতুন সরকার পেয়েছে
ব ল দ শ র সঙ গ – গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে জার্মানি ও ইউরোপ উত্সুচিত আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জার্মানির ফেডারেল ফরেন অফিসের (এফএফও) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হার্টম্যান ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একটি কঠিন রাজনৈতিক উত্তরণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নতুন সরকার অর্জন করেছে। দেশটিকে আরও নিবিড়ভাবে জানতে জার্মানি ও ইউরোপ খুব আগ্রহী।
রোহিঙ্গাসংকট এবং আর্থিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা
জার্মান কর্মকর্তাদের সফর সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজের উপস্থিতিতে প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের কয়েকটি কর্মকর্তা এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মু. নজরুল ইসলাম এবং মহাপরিচালক (পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ) মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার ব্যবসায়ী সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা স্বীকৃতি প্রকাশ করেন হার্টম্যান। তিনি প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সাথে সাক্ষাৎ করেন প্রতিনিধিদল। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর করা, কারিগরি-বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তার এবং চামড়া, পাট ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগগুলো উল্লেখ করেন। হার্টম্যান স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের আগে অর্থনৈতিক সংস্কারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তৈরি পোশাক খাতের বাইরে রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।
টেক্সটাইল কারখানা পরিদর্শন
জার্মান কর্মকর্তারা কাশিমপুরে ডি�
