পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতি পরিবর্তনের সূত্রপাত
ল কসভ য় মমত র দল র – তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহ আগুন আরও বেশি চালাচাল হয়েছে। লোকসভার এক সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ছেড়ে নতুন গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্রোহী তালিকায় স্বাক্ষর করেন। এ পরিস্থিতিতে তৃণমূলের লোকসভার আসন সংখ্যা আটটিতে কমে গেছে।
বিদ্রোহী সাংসদ সংখ্যা বৃদ্ধি পেল
পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে মমতাকে ছেড়ে গেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাজধানী দিল্লিতে বৈঠক করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন যাদবের বাসভবনে। এর আগে কাকলী ঘোষ ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব বহন করেন। এখন বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা ৬৪ হয়েছে। নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় যদি গোষ্ঠীতে যোগ দেন, তবে সংখ্যা আরও এক বৃদ্ধি পেতে পারে।
লোকসভায় তৃণমূলের ধ্বংস আসন কমে গেছে
ভারতের লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের আসন ছিল ২৮টি। কিন্তু দলের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে আসন সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে আরও দাপুটে নেতা যোগদানের ফলে সংখ্যা এখন আটটিতে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, বিদ্রোহীরা রোববার বৈঠক করে সোমবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা বসার আসন চাইবেন।
বিধানসভায় প্রতিবাদ বৃদ্ধি পেল
সাম্প্রতিক নির্বাচনে তৃণমূল এক সংখ্যার বিধায়কের সংখ্যা ছিল ২৯৪। কিন্তু এবার তৃণমূল একমাত্র ৮০টি আসন জিতেছে। বিজেপি এ ছাড়া ক্ষমতায় এসেছে ২০৮টি আসনে। দলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ফলে বিধায়কদের নতুন গোষ্ঠী গঠনের প্রস্তাব ছিল।
পরিস্থিতি আরও গুরুতর হওয়ার সাথে সাথে মমতার বাসভবনে ডাকা বৈঠকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও কুণাল ঘোষসহ কয়েকজন নেতা অংশ গ্রহণ করেন। অন্যদিকে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতা-কর্মীদের সড়কে আগুন জ্বালানোর মাধ্যমে বিক্ষোভ করেন।
রাজ্যসভাতেও তৃণমূলের চার সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
