ইলন মাস্কের সম্পদ ছয় বছরে প্রায় ৩৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
স ড় ছয় বছর ইলন ম স – সাড়ে ছয় বছরে ইলন মাস্কের সম্পদ শেয়ারবাজারে রেকর্ড ভাঙে। তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসাবে স্বীকৃত হন। ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী তার মোট সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ডলার। গত ছয় বছরে তার সম্পদ কমবেশি উল্কার গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।
মহাকাশ এবং এআই কোম্পানিগুলোর প্রতিষ্ঠাতা
১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে প্রযুক্তি জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেন মাস্ক। তবে সব সময় তিনি ধনীদের তালিকার শীর্ষে ছিলেন না। মাস্ক বর্তমানে সাড়ে ছয় বছরে প্রায় ৩৮ গুণ সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছেন। তিনি গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, অ্যামাজনের জেফ বেজোস ও এলভিএমএইচের প্রধান বার্নার্ড আর্নল্টের মতো ধনকুবেরদের ছাড়িয়ে গেছেন।
সম্পদ বৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ পর্ব
২০২০ সালের জানুয়ারিতে মাস্কের সম্পদমূল্য ছিল প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে মার্কিন নির্বাচনের সময় তাঁর সম্পদমূল্য ২৬৪ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু এর পর তাঁর সম্পদমূল্য আবার কমে যায়।
ফেব্রুয়ারিতে নিজের এক্সে অ্যাকাউন্টে মাস্ক বলেন, তাঁর নিট সম্পদের ‘শূন্য দশমিক ১ শতাংশেরও কম’ নগদে অর্থে আছে।
২০২৫ সালের মে মাসে ট্রাম্প প্রশাসন ছেড়ে আসার পর তাঁর সম্পদমূল্য চলতি বছরে উল্কার গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম পড়ার সময় তাঁর সম্পদে ভাটা পড়ে।
অংশীদারত্ব ও আর্থিক সংকট
টেসলা ও স্পেসএক্সে মাস্কের বড় অংশীদারত্ব রয়েছে। বর্তমানে টেসলায় তার অংশীদারত্ব ১২ শতাংশ, স্পেসএক্সে ৪২ শতাংশ। অনেক শেয়ার ব্যক্তিগত ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়েছে। নগদের বদলে কাগজের সম্পদের ওপর এমন নির্ভরতা সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসাবে স্থান
ইলন মাস্কের সম্পদ মূলত শেয়ার সম্পদে ভিত্তি করে। তাঁর সম্পদমূল্য বিনিয়োগকারীদের মনোভাবের ওপর নির্ভর করে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিরা আর্থিক ও শিল্পের মতো খাতে সম্পদ গড়েছেন। কিন্তু এখনকার ধনীদের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২০১৫ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর মধ্যে মাত্র দুটি ছিলেন প্রযুক্তিজগতের। এখন সেই সংখ্যা সাত, আর শীর্ষ ছয়জনই প্রযুক্তি খাতের। বৃহত্তর দৃষ্টিতে তার নিট সম্পদের প্রতিশ্রুতি তাঁ
