নতুন প্রজন্মের মধ্যে সংগ্রহের আগ্রহ জাগাতে হবি কার্নিভাল
পরিচিতি প্রদর্শনীর আয়োজনে আসেন শিশু
নত ন প রজন ম র মধ – শাহাদৎ হোসেন রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার প্রদর্শনীতে আসেন। তাঁর ছেলে শাহরিয়ার জারিফকে নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া প্রদর্শনীটি সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে। তিনি শাহরিয়ারকে সংগ্রহের উদ্যোগে বিশেষ আগ্রহ দেখান। ছেলেটি নতুন কয়েন চেনার চেষ্টা করছিল।
আয়োজনের প্রতিশ্রুতি এবং ভাগীদারদের উপস্থিতি
বাংলাদেশের নানা প্রান্তের ২৫ জন সংগ্রাহক প্রদর্শনীতে অংশ গ্রহণ করেন। আয়োজক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, নতুন প্রজন্মকে মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে সরিয়ে সৃজনশীল কাজে উদ্বুদ্ধ করা প্রদর্শনীটির উদ্দেশ্য। অনেক অভিভাবক নিজের সন্তানদের নিয়ে আসেন।
“আমি আজ লাল কয়েন দেখেছি, পুরোনো ঘড়ি দেখেছি।”
শাহরিয়ার জারিফ প্রদর্শনীতে নিজের সংগ্রহের পরিচয় দিতে ভুলেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এক টাকা আছে, দুই টাকা আছে। সৌদি আরবের পাঁচ রিয়েল আর দুইটা কয়েন তাঁর কাছে আছে।
সংগ্রহ প্রদর্শনীতে দেখা গেল বিশেষ উপস্থিতি
প্রদর্শনীতে ডাক টিকিটের সংগ্রহ নিয়ে আসেন মোতাছিম বিল্লাহ। তিনি বলেন, পুরোনো ডাকটিকিট ও ব্রিটিশ আমলের সেভিং সার্টিফিকেট তাঁর সংগ্রহে আছে। এগুলো ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
“যখন ছোট ছিলাম, নব্বই দশক আর কী; সেই সময়কার ম্যাচ বক্স নিলাম। প্রজাপতি আর ডলফিন। এটা দেখলে ছোট বেলার কথা মনে পড়ে।”
আবিদ মল্লিক ম্যাচ বক্সের সংগ্রহ নিয়ে আসেন। তাঁর সংগ্রহে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য সহ প্রায় ৫০ দেশের ম্যাচ বক্স আছে। বাংলাদেশি ম্যাচ বক্স প্রতিদ্বন্দ্বিতা চাহিদা প্রায় সবচেয়ে বেশি। এসব বক্স বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায়।
প্রাচীন পত্রিকা ও মুদ্রা সংগ্রহ প্রদর্শনীতে
সংগ্রহ প্রদর্শনীতে অংশ নেন শাহরিয়ার সাকিব। তিনি নিয়ে আসেন পুরোনো পত্রিকার সংগ্রহ। সাথে আছে এক হাজার দশকের ধাতব মুদ্রার সংগ্রহও। স্বাধীনতা পরবর্তী টাকার নোট আছে তাঁর কাছে।
প্রদর্শনী পরিচালনার ভবিষ্যত সম্পর্কে আয়োজকের বিবরণ
প্রদর্শনী থেকে ম্যাচ বক্স কেনেন আল ইসলাম। তিনি সংগ্রহ করবেন মুদ্রা ও মানচিত্র প্রস্তুত করতে চান। এ প্রদর্শ
